মাসিক কিশোর ম্যাগাজিন ‘ষোল’- অক্টোবর-২০২০ সংখ্যা।

মাসিক কিশোর ম্যাগাজিন ‘ষোল’- অক্টোবর-২০২০ সংখ্যা।

চারপাশ জুড়ে যখন অশ্লীলতা, বেহায়াপনা, অসভ্যতার কালো মেঘে মেঘাচ্ছন্ন হয়েছে আকাশ ঠিক সেই মুহূর্তে সুস্থ বিনোদনের লক্ষ্যে, সুষ্ঠু সংস্কৃতি চর্চার উদ্দেশ্যে, বড়ো ভাই হয়ে ছোটদেরকে কিছু নাসিয়াহ দেওয়ার জন্যে, একটু মুক্ত বাতাসের সন্ধান দেওয়ার জন্যেই ‘মুক্ত বাতাসের খোঁজে’ গ্রুপের পথচলা। আর তারই একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ- গতমাস থেকে প্রকাশিত হওয়া এই ম্যাগাজিন- ‘ষোল’।
‘ষোল’ ম্যাগাজিনের অক্টোবর সংখ্যা এটি। গত সেপ্টেম্বর মাসে প্রথম প্রকাশিত হয় । নাম শুনলেই বোঝা যায়, যেই বয়সটা কিশোর-কিশোরীদের জন্যে সবচেয়ে গঠনমূলক এবং সেন্সিটিভ, হাঁটতে পারলে দারুণ পথ আর পা পিছলালেই সব শেষ- সেই বয়সটা নিয়েই ‘ষোল’-র পথ চলা। কেবলমাত্র একঝাঁক ফুলের মতো কিশোর-কিশোরী যারা আগামীদিনে প্রস্ফুটিত হয়ে সুবাসিত করবে এই পৃথিবী তাদেরকে সেই প্রস্ফুটিত হওয়ার পরিবেশটা তৈরি করে দিতেই ‘ষোল’ কাজ করে যাচ্ছে বিনাস্বার্থে। বিন্দুমাত্র স্বার্থ ছাড়া। ‘ষোল’-র চাওয়া এই যে, আমাদের কিশোর-কিশোরীরা মুক্ত বাতাসের অভাবে পথ হারিয়ে না ফেলে। যারা ওই বয়সটা পার করে এসেছে তাদের থেকেই কিছু নাসিয়াহ শুনে সামনের পথটাকে মসৃণ করে নিতে আজ আমাদের সবাইকে জাগতে হবে। কাজে লাগাতে হবে ‘ষোল’।
আর, নাম ‘ষোল’ বলে শুধু ষোল বছর বয়সী কিশোর-কিশোরীর জন্যেই ম্যাগাজিনটি তা কিন্তু না। বরং, স্কুল-কলেজের(ক্ষেত্র বিশেষ বড় মানুষের জন্যেও) সবার জন্যে উপযোগী করে তোলা হয়েছে এই ‘ষোল’।

‘ষোল’ ম্যাগাজিনে যা যা থাকে- 

• কুরান এবং হাদিস থেকে
(সাব ক্যাটাগরি হিসেবে মৃত্যু পরবর্তী জীবন সম্পর্কে ধারণা, জান্নাত জাহান্নাম থাকতে পারে। কখনক ভয়, কখনো আশা। এমন।)
• আমরা যাদের উত্তরসূরী
( রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, অন্যান্য নবী-রাসূল, সাহাবা সহ সকল মুসলিম মনীষীদের জীবনের বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য ঘটনা। পাশাপাশি উক্ত ঘটনা থেকে শিক্ষা)
• ডাক্তারখানা
(কিশোরদের শারীরিক বিভিন্ন সমস্যার সমাধান)
• আমাদের নারীরা
মুসলিম সমাজে নারীর মর্যাদা, দায়িত্ব, সামাজিক বিভিন্ন সমস্যা।
• রিলেশনশিপ, জাস্ট ফ্রেন্ড, বেস্ট ফ্রেন্ড এবং ফ্রি মিক্সিং-এর বিভিন্ন ক্ষতি- এর থেকে বেঁচে থাকার উপায়।
• তাজকিয়া/আত্মশুদ্ধি
. সমকালীন মুসলিম বিশ্ব
. কুরআন ও হাদিস থেকে পাওয়া মাসনূন দোয়া
এর অর্থ, গুরুত্ব ও ফযিলত
. আক্বিদা ( সহিহ ও ধারাবাহিক বিশ্লেষণ)
. বন্ধু, সহপাঠীর সঙ্গে কিশোরদের মনোভাব এবং আচার-আচরণ চালচলন যেমন হওয়া উচিত।
. বুক সাজেশন
. বিভিন্ন সোশ্যাল একটিভিটি, যেমন পর্নোগ্রাফি বিরোধী প্রচারণা, নিরক্ষরকে পড়া শেখানো, পথশিশুদের নিয়ে কোন ইভেন্ট তৈরি করা এর পেছনে উৎসাহ জোগানো ।
পরিশেষে, ছোট ভাই-বোনগুলো একটু সত্যানুরাগী হয়ে উঠুক এবং যারা ‘ষোল’র পিছে শ্রম দিয়েছে তাদের জন্য দু’আ করুক- এটিই ‘ষোল’-র চাওয়া।
ধন্যবাদ।

ডাওনলোড লিংক- https://rebrand.ly/ht5xc

সাবস্ক্রাইব লিঙ্ক- https://forms.gle/rDD1D2YyN1VXSF9T7

শেয়ার করুনঃ
সমকামিতাঃ নাটের গুরু কারা? (প্রথম পর্ব)

সমকামিতাঃ নাটের গুরু কারা? (প্রথম পর্ব)

এই পোস্টে যেই ছবি গুলো দেখছেন তা বাংলাদেশে তোলা এবং ‘HIGH COMMISSION OF CANADA TO BANGLADESH’ এর ভেরিফাইড পেইজ থেকে নেওয়া।

যারা জানেন না, তাদের জন্য উল্লেখ করছি, ছবিতে রঙিন যে পতাকা দেখতে পাচ্ছেন এটা হচ্ছে এলজিবিটি (লেসবিয়ান, গে, বাইসেক্সুয়াল, ট্রান্সজেনডার) কমিউনিটির পতাকা। ফেসবুকে এই মাসে (জুন মাসে) নিশ্চয়ই বিভিন্ন পেইজে এই পতাকার রঙে করা ছবি দিতে দেখেছেন। যারাই দিচ্ছে তারাই সমকামিতা সহ নানা অনৈতিক এবং জঘন্য কিছু পাপের সমর্থনেই দিচ্ছে!

সমকামিতা ইসলামে হারাম এবং এমনকি এখনও পর্যন্ত বাংলাদেশের আইনেও  অবৈধ!

কিন্ত কানাডা, আমেরিকা,যুক্তরাষ্ট্রের মত কিছু দেশ তা পুরা বিশ্বে এবং তার মানে বাংলাদেশেও ছড়িয়ে দেওয়ার প্রোপ্যাগান্ডা চলাচ্ছে!

আজ কানাডিয়ান হাই কমিশনের বাংলাদেশ ভিত্তিক পেইজ, বিভাগ প্রকাশ্যে সমকামিতা প্রমোট করার সাহস দেখাচ্ছে! তারা তাদের পোস্টে নিজেরাই লিখেছে যে তারা বাংলাদেশে সমকামী অধিকার গড়ে তুলতে চায়! তার এতটাই সাহস পেয়ে গিয়েছে যে এখন আর গোপনেও কাজ করছে না!

আর এই পতাকা উড়ানোতে তাদের সাথে  আমেরিকা, ইংল্যান্ড এবং অস্ট্রেলিয়ার দূতাবাসের প্রতিনিধিরাও যোগদান করেছিল- যেটা তাদের পোস্টে উল্লেখিত আছে। এবং সেসব দূতাবাসকেও ট্যাগ দেওয়া আছে।

এবং এসব কিছুর মধ্যে আমার মুসলিম হিসেবে সবচেয়ে কি বেশী খারাপ লেগেছে জানেন? এই পোস্টের অধিকাংশ রিএক্ট   মুসলিম এবং কানাডা প্রবাসী বাংলাদেশীদের থেকে। এবং পজিটিভ রিএক্টের সংখ্যাই বেশী। যেই কয়েকজন প্রতিবাদ করেছে তাদের উপর যেন একেবারে ঝাপিয়ে পড়েছে মুসলিম নামধারী লিবারেলরা।

আজ বিশ্বের মধ্যে সবচেয়ে বেপরোয়া ভাবে সমকামিতা প্রমোট করা এবং সমাকামীদের প্রিয় দেশের মধ্যে অন্যতম একটি দেশ হল, কানাডা।

কিন্ত অনেক বড় এক অংশ অবুঝ বাংলাদেশী জনগণ কানাডাকে রীতিমত পৃথিবীর মাঝে এক বেহেস্ত মনে করে। এবং তাদের প্রধানমন্ত্রীকে দুনিয়ার শ্রেষ্ঠ লিডার টাইপের কিছু একটা মনে করে! কিছু হলেই ‘ঈশ! আমাদের যদি ট্রুডোর মত লিডার থাকত এরকম আফসোস করতে দেখা যায়!’

কিন্ত আপনি কি জানেন যে জাস্টিন ট্রুডো কানাডার ইতিহাসে সবচেয়ে বড় সমকামি সাপোর্টিং প্রধানমন্ত্রী? এবং সে সবচেয়ে বেশী প্রাইড প্যারেডে ( সমকামীদের র‍্যালি)  গিয়েছে?  পুরুষ এবং পুরুষের মাঝে বিয়ে, মহিলা এবং মহিলার মাঝে বিয়ে এসব খুব শক্তভাবে সমর্থন করে সে? ( পোস্টের  ছবি দেখুন, সমকামিদের পতাকা হাতে ট্রুডো। এরপরেও সন্দেহ থাকলে রেফারেন্সে দেওয়া লিংকগুলো চেক করে নিন)

কেন আজ বাংলাদেশীদের কাছে এত প্রিয় এই সমকামী দেশ এবং তার  প্রধানমন্ত্রী?

শুধু মাত্র সুন্দর কিছু কথা, ঈদ মুবারক ভিডিও আর সহজ ইমিগ্রেশন পলিসি পেয়েই বাংলাদেশীরা বোকা হয়ে গিয়েছে!

কেন আমরা আজ প্রশংসার জন্য সমকামিতার সমর্থক লিবারেলদের দিকে তাকিয়ে থাকব?

আর কেনই বা সমকামী দেশে যাওয়ার জন্য এতই উদগ্রীব থাকব?  তারা সহজ ইমিগ্রেশন দিলেই তাদের ভালো চোখে দেখব?

এবং দেখুন যেসব মুসলিমরা সেখানে থাকছে তাদের বেশিভাগ অলরেডি ব্রেইন-ওয়াশড হয়ে সমকামিতার মত জঘন্য পাপ সমর্থন করছে! কারন, আপনি যখন একটা দেশকে এবং তার লিডারকে সুপিরয়র মনে করবেন তাদের তারা যাই প্রচারিত হবে তা দ্বারা আপনি অনুপ্রাণিত হবেন!

এবং আজ কানাডার মত প্রথম বিশ্বের দেশে যেসব মুসলিম পরিবারের ছেলে মেয়ে ছোট থেকে বড় হচ্ছে তারা ইসলাম থেকে অনেক দুরে সরে যাচ্ছে। এবং ইসলাম থেকে দূরে সরে  যাওয়ার হার অনেক বেশী! এবং বর্তমানে ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে তাদের মাঝে অধিকাংশই সমকামিতা, লিবারেলিজম, সেকুলারিজম ইত্যাদি সমর্থন করে! কানাডায় থাকা এক ভাইয়ের অভিজ্ঞতা পড়ুন এখানে

এবং সেখানে আরেকটি ব্যাপার হল মুসলিমদের উপর ব্যাড কপ – গুড কপ মেথড চালানো হয়েছে। এক রাজনৈতিক দল কিছুটা সহজ ইমিগ্রেশন পলিসি দেয় আর একটা কিছুটা কঠিন। এখন সহজ পলিসির লোভে এই দুই এর মাঝে মুসলিমরা একটা পার্টি সাপোর্ট দেয়, যারা কি না সমকামিতার মত পাপও প্রমোট করে! আর এটা আমার কোনো থিওরি না। তারা নিজেরাই বলছে, তারা নিজেরাই বলছে যে তারা বিশ্বে সমকামিতা ছড়িয়ে দিতে চায়! তাহলে তাদের সহজ ইমিগ্রেশন পলিসির পিছনে নিয়্যত কী তা আমাদের ভেবে দেখা উচিৎ না? এমন কি হতে পারে না যে তারা দেশের আপার ক্লাসদের তাদের দেশে নিয়ে এসব আইডিওলিজিতে অভ্যস্ত করে দিতে চায় যেন তারা সেটা নিজ নিজ দেশে ছড়িয়ে দিতে ভুমিকা পালন করে? এখন দেখা যাচ্ছে অনেক মেধাবি ছাত্র যে কি না দেশে থাকতে মুসলিম ছিল, ইসলাম প্র্যাকটিস করত সে বাহিরে পড়াশোনা করতে যেয়ে ধর্ম ছেড়ে দিচ্ছে। বা শুধু নামে মুসলিম থেকে এসব অপকর্ম সাপোর্ট করছে! তাহলে কী হচ্ছে? বিভিন্ন দেশের কিছু স্কিলড মেধাবিদের নিয়ে যেয়ে ব্রেইন-ওয়াশড করে দেওয়া হচ্ছে! কিন্ত আজ আমরা মুসলিমরা এসব নিয়ে চিন্তা করি না! কিছু টাকা কামানোর সুযোগ পেলে, বস্তুগত কিছু সুবিধা পেলে সব ভুলে যাই।

আর বাংলাদেশেও ছোট ছোট ছেলে-মেয়ে এই শুনে বড় হচ্ছে, যে জাসটিন ট্রুডো  অসাধারণ নেতা। বাংলাদেশেও তার মত প্রয়োজন। এখন এর ফলে তারাও কি অবচেতন মনেই প্রভাবিত হচ্ছে না ট্রুডোর মত নেতাদের আইডল হিসেবে দেখতে! আপনি হয়ত বিস্তারিত যাচ্ছেন না, কিন্ত আপনার এরকম মন্তব্যের কারনে অন্য কেউ বা ছোট কেউ তার ব্যাপারে বিস্তারিত জেনে তার মত হতে চেতে পারে। আমাদের ইসলামিক ইতিহাসে অসাধারণ সব নেতৃত্বের উদাহরণ আছে যাদের আমরা প্রশংসা করতি পারি, অনুপ্রেরনা নিতে পারি,  আল্লাহ্‌র রাসুল হজরত মোহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আছেন। আমরা কেন অন্য কোন দিকে তাকাব?

 

জাস্টিন ট্রুডো সমকামীদের পতাকার রঙের সাথে মিলিয়ে মোজা পরে একাত্মতা ঘোষনা করছেন।

কানাডিয়ান হাই কমিশনের সমকামিতার সমর্থন দিয়ে করা পোস্টের ছবি – ১

 

 

কানাডিয়ান হাই কমিশনের সমকামিতার সমর্থন দিয়ে করা পোস্টের ছবি – ২

কানাডিয়ান হাই কমিশনের সমকামিতার সমর্থন দিয়ে করা পোস্টের ছবি – ৩

কানাডিয়ান হাই কমিশনের সমকামিতার সমর্থন দিয়ে করা পোস্টে এক বাংগালী – কানাডিয়ান মুসলিমের ধন্যবাদ জানিয়ে করা কমেন্ট

নোট ১- কানাডিয়ান হাই কমিশনের এই পোস্টটি ১ বছরের আগে, আজ নতুন করে সমকামিতা ইস্যু আলোচনায় আশায় এখন পোস্টটা দিচ্ছি। আমি এটা সেই সময়েই দেখেছিলাম এবং বিভিন্ন পপুলার ইসলামিক পেইজে মেসেজ দিয়েছিলাম। কিন্ত ১০-১২ টা পেইজে মেসেজ দিয়েও একটা রিপ্লাইও পাই নাই। একেবারে কেউ আগ্রহ দেখায় নাই। তখন অবশ্য এই গ্রুপের মত কিছু গ্রুপ এবং পেইজ এবং লেখকদের চিনতাম না। তবে, এটা দুঃখের বিষয় যে আমাদের দেশের পপুলার ব্যক্তিরা এই বিষয়ে কোন সচেতনতা সৃষ্টি করছে না। ধরেন মিজানুর রহমান আজহারির মত ব্যক্তিত্বরা যাদের মিলিওন মিলিওন ফলোয়ার তারা এই ব্যাপারে কথা বললে কত বেশী মানুষ জানতে পারত!
সমকামীরা আইন বদলানোর জন্য লবিং করে যাচ্ছে, কাজ করে যাচ্ছে কোন বিরতি ছাড়া, আর আমরা মুসলিমরা ঘুমিয়ে আছি, তাদের যাদের কাছে আল্লাহ্‌র গাইডেন্স নাই তাদের কাজের গতি যদি আমাদের চেয়ে বেশী হয় তাহলে কিন্ত এর দায় আমাদের নিতে হবে, এর উত্তর আমাদের দিতে হবে, যখন আমাদের সমাজে এসব ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছিল, তখন আমরা মুসলিমরা কী করছিলাম?

চলুন আমরা জেগে উঠি, সবাই মিলে চেষ্টা করলে সফলতা আমরাই পাব ইন শা আল্লাহ্‌

নোট ২- উল্লেখ্য, ইরাকেও কানাডা, ইংল্যান্ড সহ কয়েকটি দেশ  সমকামিতার সমর্থনে পতাকা উড়িয়ে সোস্যাল মিডিয়াতে পোস্ট করেছিল। কিন্ত পরবর্তীতে, ইরাকের প্রতিবাদ/অনুরধে তারা সেই পোস্ট ডিলিট করে দেয়। তার মানে ব্যাপারটা এমন না যে বাংলাদেশ সরকারের এখানে কিছু করার নাই। সরকার কী কিছু শুনছে?

 

চলবে ইনশা আল্লাহ…

(লেখক- অজ্ঞাত। কেউ লেখকের সন্ধান জানলে আমাদের জানাতে পারেন ইনশা আল্লাহ। আমরা এড করে দিব।)

(লস্ট মডেস্টি টিম কর্তৃক সম্পাদিত)

অবশ্যই পড়ুন-

সমকামি এজেন্ডাঃ ব্লু-প্রিন্ট

আর রিজালু বির রিজাল…

 

রেফারেন্সঃ

[১] High Commission of Canada to Dhaka, post source-  https://tinyurl.com/y74nju2b

[১] Justin Trudeau becomes first Canadian PM to visit a gay bar- https://tinyurl.com/y2kkpe53

[২] ‘I Am Sorry. We Are Sorry.’ Read Prime Minister Justin Trudeau’s Formal Apology to Canada’s LGBTQ Community- https://tinyurl.com/ycfuo9br

[৩] Justin Trudeau becomes first Canadian PM to march in Toronto’s Pride parade- https://tinyurl.com/y7r5conu

[৪] Trudeau, Quebec dignitaries march in Montreal Pride parade- https://tinyurl.com/ycssboqv

শেয়ার করুনঃ
মাপকাঠি

মাপকাঠি

নারীপুরুষের মেলামেশার সীমানা কেমন হওয়া উচিত?

প্রশ্নটা নিয়ে ভালোই বিতর্ক শুরু হলো ক্লাসের মেয়েদের মধ্যে। মন পরিষ্কার থাকা, ভালো নিয়্যাত থাকা, উদ্দেশ্য ভালো হওয়া কি যথেষ্ট? নাকি শরীয়াহর দিকনির্দেশনা আর সীমারেখাও মেনে চলতে হবে?

‘আমাদের বয়স তো এখনো কম’, একজনকে বলতে শোনা গেল।

‘কোন বয়সটা কম, কোনটা বেশি, সেটা কিসের ভিত্তিতে ঠিক হবে?

ম্যাচিউরিটি এসেছে কি না সেটার মাপার মাপকাঠি কী? বরং প্রশ্ন হলো, আমরা কি এখন শরীয়াহর দৃষ্টিতে দায়িত্বজ্ঞানসম্পন্ন? বালেগা?’

‘যদি মন পরিষ্কার থাকে তাহলে ছেলেমেয়ের মেলামেশায় সমস্যা কী? এটা তো কোনো পাপ না! ’

ঠিক-বেঠিক কে ঠিক করবে? সমাজ, সংস্কৃতি, প্রতিষ্ঠান, রাষ্ট্র? নাকি শরীয়াহ?

‘আরে তুই তো হুজুরনীদের মতো কথা বলছিস!’
.
বিতর্ক চলতেই থাকল।
বিষয়টা স্কুল প্রিন্সিপালের কানে গেল। তিনি ক্লাসে আসলেন। তবে আসার কারণ ওদের বললেন না। ধীর পায়ে ক্লাসে ঢুকে প্রশ্ন ছুড়ে দিলেন,
.
‘আচ্ছা মেয়েরা বলো তো, এই টেবিলটা বড় না ছোট?’

‘ছোট!’, বলল একজন।

‘না, বড়!’ ওর কথার রেশ মিলিয়ে যাবার আগেই আরেকজন চেঁচিয়ে বলল ।

‘আরে না, টেবিলটা মাঝারি সাইজের’, সবজান্তার সুরে বলে উঠল তৃতীয়জন।

মুচকি হেসে প্রিন্সিপাল এবার প্রশ্ন করলেন, ‘তোমরা দেখি এখানেও একমত হতে পারছ না। একমত হতে হলে কী দরকার বলো তো?’

‘ছোট আর বড়-র সংজ্ঞা। কতটুকু হলে ছোট, কতটুকু হলে বড়, সেটা জানতে হবে।’

‘চমৎকার। আর সংজ্ঞার জানার পর কী দরকার?’

‘একটা মাপকাঠি। যা দিয়ে মাপা যাবে, তুলনা করা যাবে।’

‘সুন্দর বলেছ। এই কথাগুলো শুধু টেবিলের জন্য না; বরং আমাদের জীবনের সবক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। যদি কোনো সংজ্ঞা ঠিক করা না থাকে, কোনো পার্থক্যকারী না থাকে এবং কোনো মাপকাঠি না থাকে, তাহলে কোনোদিন, কোনো কিছুতেই আমরা একমত হতে পারব না। এখন প্রশ্ন হলো, কোন সেই মাপকাঠি, যা দিয়ে আমরা বিচার করব? মাপব?’

‘সমাজ, সংস্কৃতি, রীতিনীতি’,

‘কিন্ত যখন সংস্কৃতি আর সমাজের রীতিনীতি বদলে যাবে?’

জবাব দিল না মেয়েটা।

‘আমাদের বাবা-মা যা করবেন, যা শেখাবেন সেটাই আমাদের
মাপকাঠি’, আত্মবিশ্বাসের সাথে বলল আরেকজন।

‘কিন্তু বাবা-মা যদি একমত হতে না পারে? যদি তারাও তোমাদের মতো তর্ক শুরু করে?’

দ্বিতীয় মেয়েটাও চুপ হয়ে গেল।

‘বিবেক।’

‘সব মানুষের বিবেক কি একরকম?’

‘না।’

‘তাহলে কার বিবেককে আমরা মাপকাঠি হিসেবে নেব?’

এবার তৃতীয় মেয়েটাও চুপ।

‘যুক্তি?’, ঠিক উত্তর না, অনেকটা প্রশ্নের মতো শোনাল এবার।

‘কিন্তু যেটা তোমার কাছে যৌক্তিক সেটা তো আরেকজনের কাছে যুক্তিসম্মত নাও মনে হতে পারে, তাই না?’

‘হ্যাঁ।’
.
‘আচ্ছা এই যে তোমরা বলছ, সংস্কৃতি, সামাজিক রীতিনীতি, পিতামাতা, বিবেক, যুক্তি ইত্যাদিকে মাপকাঠি হিসেবে নিতে, তোমরা কি নিশ্চিত এগুলো তোমাকে সঠিক উত্তরটা দিতে পারবে?’

এবার পিনপিতন নীরবতা নেমে এল ক্লাসে। সবাই ভাবছে।

যে মেয়েটাকে হুজুরণী বলা হচ্ছিল এবার সে মুখ খুলল। অনুচ্চ, শান্ত কিন্তু নিশ্চিত গলায় বলল,

‘শরীয়াহ। মাপকাঠি হবে আল্লাহর দেয়া শরীয়াহ।’
‘ঠিক! মাপকাঠি হলো শরীয়াহ। শোনো মেয়েরা, আমরা মুসলিম। আর মুসলিম হবার অর্থ কী? এর অর্থ হলো আমরা প্রতিটি বিষয়ে আল্লাহর সিদ্ধান্তের কাছে নিজেদের সমর্পণ করি। আল্লাহ বলেছেন,

وَمَا كَانَ لِمُؤْمِنٍ وَلَا مُؤْمِنَةٍ إِذَا قَضَى اللَّـهُ وَرَسُولُهُ أَمْرًا أَن يَكُونَ لَهُمُ الْخِيَرَةُ مِنْ أَمْرِهِمْ ۗ وَمَن يَعْصِ اللَّـهَ وَرَسُولَهُ فَقَدْ ضَلَّ ضَلَالًا مُّبِينًا

আল্লাহ ও তাঁর রাসূল কোনো নির্দেশ দিলে কোনো মু’মিন পুরুষ ও মু’মিন নারী উক্ত নির্দেশের ভিন্নতা করার কোনো অধিকার রাখে না। যে আল্লাহ ও তাঁর রাসূলকে অমান্য করে সে স্পষ্টতই সত্য পথ হতে দূরে সরে পড়ল। [তরজমা, সূরা আল-আহযাব, ৩৬]
.
এবং তিনি বলেন,

وَمَا اخْتَلَفْتُمْ فِيهِ مِن شَيْءٍ فَحُكْمُهُ إِلَى اللَّـهِ ۚ ذَٰلِكُمُ اللَّـهُ رَبِّي عَلَيْهِ تَوَكَّلْتُ وَإِلَيْهِ أُنِيبُ

আর যেকোনো বিষয়েই তোমরা মতবিরোধ কর, তার ফয়সালা আল্লাহর কাছে; তিনিই আল্লাহ, আমার রব; তাঁরই ওপর আমি তাওয়াক্কুল করেছি এবং আমি তাঁরই অভিমুখী হই। [তরজমা, সূরা আশ-শূরা, ১০]

এবং তিনি বলেন,

فَإِن تَنَازَعْتُمْ فِي شَيْءٍ فَرُدُّوهُ إِلَى اللَّـهِ وَالرَّسُولِ إِن كُنتُمْ تُؤْمِنُونَ بِاللَّـهِ وَالْيَوْمِ الْآخِرِ ۚ ذَٰلِكَ خَيْرٌ وَأَحْسَنُ تَأْوِيلًا

যদি কোনো বিষয়ে তোমাদের মধ্যে মতভেদ ঘটে, তাহলে সেই বিষয়কে আল্লাহ এবং রাসূলের (নির্দেশের) দিকে ফিরিয়ে দাও যদি তোমরা আল্লাহ এবং আখিরাত দিবসের প্রতি ঈমান এনে থাকো; এটাই উত্তম এবং সুন্দরতম মর্মকথা। [তরজমা, সূরা আন-নিসা, ৫৯]
.
শোনো মেয়েরা, মানুষ ভুল করে। আমাদের ভুল হয়ে যায়। আমরা হয়তো সব সময় শরীয়াহর বিধান মেনে চলতে পারি না। ভুল হওয়াটা সমস্যা না। কিন্তু আমাদের স্পষ্টভাবে মনে রাখতে হবে আমরা যা করছি সেটা ভুল। শরীয়াহর বিধান সঠিক। আমি হয়তো কোনো একটা ক্ষেত্রে সেটা পালন করতে পারিনি, কিন্তু আমার স্বীকার করতে হবে যে আমি যা করছি সেটা ভুল। শরীয়াহ যা ঠিক করে দিয়েছে সেটাই ঠিক।’…
.
আল্লাহ এই উম্মাহর মধ্যে এমন শিক্ষকের সংখ্যা বাড়িয়ে দিন, যারা আমাদের সন্তানদের শরীয়াহর কর্তৃত্ব সম্পর্কে শেখাবে এবং শরীয়াহকে গ্রহণ করতে শেখাবে একমাত্র মাপকাঠি হিসেবে।
.
বই: আয়নাঘর
লেখক: ড. ইয়াদ আল-কুনাইবি

শেয়ার করুনঃ
লকডাউন সমাচার

লকডাউন সমাচার

এই লকডাউন আমাদের অনেক কিছুই বোঝার ও উপলব্ধি করার সু্যোগ দিয়েছে। মুক্তমনাদের চোখে আংগুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে ” My life, my Rule ” এর অসারতা। কি অবাক হচ্ছেন!

সেকুলার মিডিয়া ও ফেসবুকে ইসলাম বিদ্বেষীদের প্রকোপে বা কল্যাণে ব্রাহ্মণবাড়িয়াতে জানাযার খবর বা বহিঃদেশের মধ্যে ইন্ডিয়া তে তাবলীগ জামাত নিয়ে coronazihad নিউজ টা তো কারো অজানা নয়। কিন্তু উন্নত বিশ্ব ও সভ্যতার ধারক বাহক দেশগুলো মৃত্যু ঢল থাকার পড়েও তাদের anti -lockdown প্রটেস্ট আমাদের চোখে পড়তেছে না।
.
মিশিগানে মানুষরা আর্মড হয়ে প্রটেস্ট করতেছে, বন্দুক নিয়ে ঘুরতেছে। তারা আর বাসায় থাকবে না। সবাই জার্নালিস্ট দের বলতেছে-
” You are the virus” [1]

Idaho স্টেট এ মানুষ অপেন স্ট্রীটে প্রটেস্ট রত অবস্থায় হুংকার দিচ্ছে ” Freedom over Fear ” [2]

Pennsylvania এর উন্নত জায়গায় কথা শুনলেই আমাদের লোম দাড়িয়ে যায় টাইপ অবস্থা। সেখানের Harrisburg এ অপেন স্ট্রীটে হাজার মানুষের সামনে সবুজ ট্রাকে শোডাউন হচ্ছে ” Jesus Is my vaccine ” [3]

Virginia স্টেট এর শিক্ষিত মানুষজন মনে করছে এই লকডাউন তাদের মানবিক অধিকারে আঘাত হানতেছে। তাদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে করা হচ্ছে। তাই তারা হুংকার দিয়ে ” pro-choice” স্লোগান দিচ্ছে –
“My body, My choice “[4]

বিজ্ঞানপুরীর মানুষজন anti vaccination এর টি শার্ট পরে প্রটেস্ট এ নেমে পড়েছে এবং জানায় তারা বিজ্ঞানী আর হেলথ কেয়ারদের বিশ্বাস করে না। Austin, Texas এ মানুষ “Fire Fauci ” করে করে চিক্কুর পেড়ে গলা ভেংগে ফেলছে। যে কিনা Dr Anthony Fauci, director of the National Institute of Allergy and Infectious diseases. [5]

Lansing, Michigan প্রটেস্টারদের টাকা দেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হইলেও তারা তা প্রত্যাখ্যান করে। ” Give me work, Not money, I hear that ” [6]
.
এরকম শখানেক নিউজ তুলে আনা যাবে। Google করলেই হাজার ছবি আর বড় বড় নিউজের লিংক পেয়ে যাবেন৷এইখানকার প্রথম টা বাদে সবগুলোই খানিকটা পুরনো এপ্রিল মাসের যখন ২০০০-২৫০০ মানুষ মারা যাচ্ছিল একদম পিক পয়েন্টে। তখন সেখানকার মানুষের আচরণ। কি ভাবছেন US এ অনেক মানুষ তাই এরকম কাজ ঘটবেই। এটা কিছু না। US এর উপর আমাদের ঈমান আসলেও অনেক শক্ত। আসেন অন্য দেশগুলোর অবস্থা দেখি।
.
৩৩০০০ মৃত্যুর মুখ দেখা UK এর স্বাধীনতাকামী মানুষজন লিফলেট বিলাচ্ছে “bring a picnic, some music and [have] some fun and say yes to life”[7]

অনেকে মনে করতেছে এইটা ফেক ভাইরাস এবং বিল গেটস এর ষড়যন্ত্র। অনেকে আফসোস করতেছে এই জেনারেশন এ এসে আমাদের কেন ফ্রিডম নাই [8]

Scotland এ সভ্য সমাজের মানুষেরা protest এর জন্য সবাই মিলে “Group hug ” করতেছে। No more Lockdown, No more House Arrest করে করে চেচাচ্ছে। [9]

এরকম আরো রংতামাশার পসরা বসিয়ে রেখেছে Uk এর প্রটেস্টাররা। পোলান্ডের মানুষ জড়ো হয় তারা লকডাউন মানবে না, তাদের অনেকের চাকুরী আছে জার্মানিতে তারা সেখানে যাবে। [10]

Ivory coast এর মানুষজন হেলথ অফিশিয়াল এতটাই কম বিশ্বাস করে যে তারা টেস্টিং কিট সেন্টার ধ্বংস করে দিছে আর ভাবতেছে তারা কাল তাই তাদের কিছুই হবেনা। [11]

এছাড়াও ইন্ডিয়া, বেলজিয়াম,ইরাক, লেবানন, জার্মানি সহ আরো অনেক দেশে এইরকম প্রটেস্ট দেখা যাচ্ছে এই সময়ে। [12]
.
এত কাসুন্দী কেনই বা টানলাম। এরা তো আসলে মেজর portion না৷ এদের কারণে পুরা পৃথিবীর লকডাউন প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে না। তাই তো!!

কিন্তু মানবতাবাদী ও হিউমান রাইটস এর ফেরিওয়ালা দের তো এইসব প্রটেস্ট এর সাথে একাত্মতা প্রকাশ করার কথা ছিল। তাদের খুব প্রিয় ডায়ালগ ” My body, My choice “। তাহলে তারা কেন গর্জে উঠছে না। ও মাস্ক পড়তেছে না, বাইরে ঘুরতেছে না, ও মরবে। আমি তো বাসায় আটকা আছি সেফ আছি। দুইটা মতই আমাদের প্রাধান্য দেওয়া উচিত৷ মানুষকে বাইরে গেলে আটকানোর অধিকার আমাকে কে দিয়েছে!! তারা কিন্তু সরাসরি ভাবে মানুষের ক্ষতির কারণ না৷ হতে পারে পরোক্ষভাবে। ওদেরও ফিলিংস আছে, ওর মন আছে, মানসিকভাবে সুস্থ না থাকলে দেহ নিয়ে বেচে থেকে কি লাভ। অনেক গবেষণায় বলছে এই লকডাউনের জন্য US এর ৭৫০০০ মানুষ আলকোহল ও সুইসাইডে মারা যাবে। [13]
.
কই এরকম আবেগ কপচানো মানুষ পাওয়া যাচ্ছে না। কারণ এক মিডিয়া এসব জিনিসে ফুয়েল দিচ্ছেনা, গভার্নমেন্ট সাথে নাই। আর তাদের নিজেদের গায়েও আগুন ভাপ টা পড়তেছে।সবচেয়ে বড় কথা তারা কেউই নৈতিকভাবে সৎ না। Individualism আর Materialistic মানুষজন হঠাৎ সামাজিক ভাবে বাচার জন্য উঠে পড়ে লেগেছে।

” আমি তো কারো ক্ষতি করছি না ” এইসব পাবলিকদের এই বিষয়ে হ্যারিকেন দিয়ে খুজলেও পাওয়া মুশকিল।

Passive smoking এর মাধ্যমে কত মানুষ ফুসফুসের রোগী হয়ে যাচ্ছে তা কি কোনো ক্ষতি না?
.
উপরের আন্দোলন গুলার সাথে ঠিক কয়েকদিন আগের LGBTQ আন্দোলনের খুব সুন্দর একটা মিল পাওয়া যায় আদর্শিকভাবে । সমকামিতা এবং তার অবাস্তব সাংসারিক জীবন যে সামাজিক বন্ধন নষ্ট করে দিচ্ছে এই ব্যাপারে কোনো আলাপ তো নেই৷যেখানে এইটার জীনগত কোনো প্রভাব নেই,[18] এইটা কেবল মানুষের প্রবৃত্তির অনুসরণ এবং শিশুকাম, পশুকামের মতো যৌন বিকৃতি। [15] (বিস্তারিত জানতে পড়ুন, দারুল ইহদার ‘অভিশপ্ত রংধনু’) ।
.
তারপরেও উন্নত দেশে আমাদের বাচ্চা কাচ্চাদের জোর করে শেখানো হচ্ছে এইটাই স্বাভাবিক। এই শিক্ষা হয়ে গেছে আমাদের জন্য বাধ্যতামূলক!!! এইটা সবাই জানে ছোট বয়সের শিক্ষার প্রভাব জীবনে দৃড়ভাবে থাকে আর তখনকার শিক্ষাকেই মানুষ সত্য বলে মেনে নেয়। এই হচ্ছে ফ্রিডম অফ চয়েসের নমুনা।

সমকামীদের বাচ্চা কাচ্চাদের মানসিক অবস্থা কি হয় তা নিয়ে আমরা কেউ ভাবিনা। তাদের অধিকাংশ STD, piles হয়ে কাতরাচ্ছে কিংবা pedophile হয়ে যাচ্ছে তার কোনো খোঁজ নেই।
.
আসেন আমাদের দেশের কথাই কিছু বলি না হয় – Lifespring এর কিছু কেইস। [17]

“আমার হাজব্যান্ড Bi-sexual। ও যেসব ছেলেদের সাথে এসব করে তাদের একটা নিজস্ব গ্রুপই আছে। আমার বিয়ের ৮ বছর পর আমি এটা জানতে পেরেছি। আপা আমি কেমন করে সহ্য করবো বলেন? আমার ঘেন্নায় মাঝে মাঝে মরে যেতে ইচ্ছা করে। আমাদের ঘরে দুইটা বেবি। ওদের মুখের দিকে তাকায় দাঁত কামড়ে পড়ে থাকি। কাকে বলব? কে বিশ্বাস করবে।”

-এই পুরো পরিবার ধ্বংস এবং দুইটা ফুটফুটে বাচ্চার দায় কি পড়তেছে কারো গায়ে। ঐ লোক তো কাউকে ক্ষতি করেনি। করেছে কি?
.
“আমার হোস্টেলে অনেকেই হোমো-সেক্সুয়াল। আমিও অভ্যস্ত হয়ে গেছি। আগে আমার মেয়েদের দেখে এক্সাইটেড লাগতো। কিন্তু ৪ বছর ছেলেদের সাথে করতে করতে এখন মেয়েদের দেখে তেমন ফিল আসেনা। কিন্তু আমি স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে চাই!”

– এর স্বাভাবিক জীবনকে অস্বাভাবিক করতে পরিবেশ কি দায়ী নয়। এই দায় কে নেবে?
.
“আমি Foot Fetish। আমার কালেকশনে ২০০০+ মেয়ের পায়ের ছবি আছে যেগুলো দেখলে আমি সেক্সুয়ালি এক্সাইটেড হই। মেয়ে দেখলেই হামলে পড়তে মন চায়। বউকে অত্যাচার করে ফেলি ।”

এই ছেলেও খালি পর্নোগ্রাফি দেখত কারোর ক্ষতি করার নিয়ত ছিল না।
.
“প্রতিরাতে আমাকে মেরে মেরে তারপরে সে সেক্স করে। আমি ব্যথায় চিৎকার না করলে সে নাকি এক্সাইটেড হয়না! ওর অনেক টাকা। আমি গরীব ঘরের মেয়ে। আমাকে বাবা-মা বলে মুখ চেপে এখানে পড়ে থাকতে!”
.
কিন্তু তারপরো আমরা বলব পর্নোগ্রাফি একটা শিল্প, স্রেফ অভিনয় আর ধর্ষণ কমানোতেও এর ভূমিকা রয়েছে!

কুকুর কিংবা অন্য পশুর সাথে [14] সংগম করে এসে বাবা হিসেবে সে ছেলেকে কি নৈতিক শিক্ষা দিবে! কিন্তু তাকে মানা করতে গেলে বা সংশোধন করানোর জন্য এগুলে মানবতাবাদী সবাই তেড়ে আসবে ” Don’t Judge “.
.
মানবতাবাদীরা মুখে কথার ফুলঝুড়ি দিয়ে তাদের কার্যহাসিল করবে এবং তাদের পুজিবাদি চিন্তার বাস্তবায়ন ঘটাবে। কিন্তু এইটার দায়ভার নেওয়ার সময় হাত পা গুটিয়ে পালাবে৷ সবশেষে এই আজাবের ফল ভোগ করতে হচ্ছে পরিবার এবং কাছের মানুষদের। এই জ্বালা ভুক্তোভোগী ছাড়া কেউ টের পাচ্ছে না।

এই মানবতাবাদীদের মতে মানবিক বৈশিষ্ট্য, মূল্যবোধ ও বিশ্বাস পুরোপুরি পরিবেশের মাধ্যমে নির্ধারিত হয়। এইখানে নৈতিক মূল্যবোধ বা সার্বজনীন সত্যের কোনো স্থান নেই।

তাই এদের ব্যাপারে Dr Devid Ray Griffin বলেছেন, বস্তুবাদ ও ইন্দ্রিয়বাদ (sensationalism) যখন নাস্তিকতার সাথে সমন্বিত হয় তখন একটি নিয়ন্ত্রণবাদী (জড়), আপেক্ষিক ও শুন্যবাদী (nihilistic) দৃষ্টিভঙ্গি গড়ে উঠে যেখানে জীবনের চূড়ান্ত কোনো অর্থ নেই [16]
.
সামাজিকভাবে আমরা এদের স্টান্ডার্ড কে অন্ধ অনুকরণে ব্যস্ত, সামাজিকভাবে এমনিতেও চারিদিকে পচনের দুর্গন্ধ ছড়ানো শুরু করেছে। এখন তাই আমাদের উচিত সবাইকে নামায, ইবাদতের সাথে সাথে বেশী বেশী পরিপূর্ণ ইসলামি জীবনব্যবস্থার প্রতি দাওয়াত দেওয়া। নৈতিকতার মানদন্ড হিসেবে আল্লাহর মানদন্ড কে দৃড়ভাবে আকড়ে ধরা। কারণ আজকে অন্যায়কে পার্সোনাল ব্যাপার বলে ইগনোর করলে হয়তো কালকে সেটা আপনার ঘরেই চর্চা করা হবে। তখন আসল দূর্গন্ধ টের পাবেন। তাই আগেই সচেতন হওয়া উচিত এবং অন্যায়কে অন্যায় বলেই আখ্যায়িত করা উচিত।
.
শেষে কোরআনের আয়াত দিয়ে শেষ করছি

اَفَرَءَیۡتَ مَنِ اتَّخَذَ اِلٰـهَهٗ هَوٰىهُ وَاَضَلَّهُ اللّٰهُ عَلٰی عِلۡمٍ وَّخَتَمَ عَلٰی سَمۡعِهٖ وَقَلۡبِهٖ وَجَعَلَ عَلٰی بَصَرِهٖ غِشٰوَةً ؕ فَمَنۡ یَّهۡدِیۡهِ مِنۡۢ بَعۡدِ اللّٰهِ ؕ اَفَلَا تَذَكَّرُوۡنَ

তুমি কি সেই ব্যক্তিকে দেখেছো, যে তার প্রবৃত্তিকে তার উপাস্য বানিয়েছে? আল্লাহ জেনে শুনেই তাকে পথভ্রষ্ট করেছেন, তার কানে ও অন্তরে মোহর মেরে দিয়েছেন এবং তার চোখের ওপর একটি আবরণ লাগিয়ে রেখেছেন। অতএব, আল্লাহর পরে তাকে আর কে পথ দেখাবে? তবুও কি তোমরা উপদেশ গ্রহণ করবে না? (সুরা জাসিয়া ঃ২৩)
.
এরপরো কি আমরা উপদেশ গ্রহণ না করেও আল্লাহর হুকুমের উপর প্রবৃত্তিকে প্রাধান্য দিব!
_____
রেফারেন্স-
[1] https://www.washingtonpost.com/nation/2020/05/15/noose-fight-coronavirus-protest/
[2] https://www.youtube.com/watch?v=2CfxNRV3GHQ
[3] https://twitter.com/miguelmarquez/status/1252262768591491072?s=19
[4] https://wset.com/newsletter-daily/gallery/groups-plan-to-protest-va-lockdown-in-richmond-thursday
[5] https://twitter.com/mannyNYT/status/1251564861257113602?s=19
[6] https://www.youtube.com/watch?v=4goSjEsJKuA&feature=youtu.be&t=344
[7] https://www.independent.co.uk/news/uk/home-news/coronavirus-lockdown-protests-uk-london-hyde-park-5g-conspiracy-theories-a9518506.html
[8] https://news.sky.com/story/coronavirus-arrests-in-hyde-park-as-lockdown-protesters-denounce-fake-virus-11989409
[9] https://www.standard.co.uk/news/uk/london-protest-coronavirus-lockdown-scotland-yard-a4430186.html
[10] https://www.reuters.com/article/us-health-coronavirus-cross-border-worke/hundreds-protest-against-lockdown-at-polish-german-border-idUSKCN2270BE
[11] https://www.bbc.com/news/world-africa-52189144
[12] https://www.factcheck.org/2020/05/u-s-isnt-the-only-country-with-lockdown-protests/
[13] https://medium.com/@ariadnelabs/social-distancing-this-is-not-a-snow-day-ac21d7fa78b4
[14] https://metro.co.uk/2017/04/13/the-dark-truth-about-bestiality-parties-6570714/?ito=article.amp.share.top.messenger
[15] W. L. Marshall, et al., “Early onset and deviant sexuality in child molesters,” Journal of interpersonal Violence 6 (1991): 323-336, cited in “Pedophilia: The Part of Homosexuality They Don’t Want You to see,” Colorado for Family Values Report, Vol. 14, March 1994.
[16] Griffin, D. R. (2000). Religion and scientific naturalism: Overcoming the conflicts. SUNY Press.
[17] https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=10221978534318704&id=1420699951
[18] https://science.sciencemag.org/content/sci/365/6456/eaat7693.full.pdf
.
লিখেছেনঃ Muhammad Atrehar Abir

শেয়ার করুনঃ
স্বপ্নদোষ ‘দোষ’ নয়!

স্বপ্নদোষ ‘দোষ’ নয়!

আমাদের অনেকের মনে Wet Dream বা Nocturnal Emmision বা স্বপ্নদোষ নিয়ে অনেক অজ্ঞতা, ভ্রান্ত ধারণা এবং এর ফলে অহেতুক ভয় কাজ করে। কারো খুব বেশি বেশি স্বপ্নদোষ হয়। কারো বছরেও একবার হয়না! দুটো বিষয় নিয়েই ভুক্তভোগীরা হয়রান, পেরেশান! আজ স্বপ্নদোষ নিয়ে ভাইদের কিছু কমন প্রশ্নের উত্তর দেয়ার চেষ্টা করবো ইনশা- আল্লাহ!

.

▪️ স্বপ্নদোষ কেন হয়?

– এটা স্রষ্টা প্রদত্ত দেহের একটা ক্রিয়া। কোন রোগ বা পাপ নয়। সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক বিষয়। একদমই ক্ষতিকর কিছু নয়। মেডিকেল সাইন্সের মতে এটা একটা নরমাল “ফিজিওলজিক্যাল” ব্যাপার। মানে “সাধারণ শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়া”… জ্বী, ঠিকই শুনেছেন! এটা একটা “সাধারণ শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়া”!

.

▪️ তাহলে কারো মাসে দু/একবার, কারো ডেইলি একবার, আবার কারো বছরে একবার কেন হয়?

– আগেই বলেছি যে, এটা শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়া। আর সবার শারীরিক ক্রিয়া একরকম নয়। দেহের এনজাইম এবং হরমোনাল এক্টিভিটি, মেটাবলিজম এবং বায়োফিজিক্যাল ব্যাপার গুলো একেক জনে একেক রকম। যেমন, কেউ বরফ চিবিয়ে খেয়ে ফেলে, আবার কেউ ঠাণ্ডা পানি খেলেই টনসিল ফুলে যায়! এ কারনেই কারো বছরে একবার, কারো দৈনিক একবার করে স্বপ্নদোষ হলেও ব্যাপারটা নিজ নিজ ক্ষেত্রে “নরমাল”।

.

▪️ আগে তো এমন ছিলো না! এখন এত ঘন ঘন হয় কেন? / এখন আর হয়না কেন?

– দেখুন, আমাদের দেহ এক বিশাল সুপার কম্পিউটারের চেয়েও বেশি সফিস্টিকেইটেড সিস্টেম দিয়ে প্রোগ্রাম করা। এর প্রতিটা ফাংশন একটার সাথে অন্যটা রিলেটেড। প্রতি মুহূর্তে দেহে হাজারটা বায়োকেমিক্যাল রিঅ্যাকশন হচ্ছে, বায়োফিজিক্যাল অ্যাক্টিভিটি ঘটে যাচ্ছে, স্নায়োবিক সিগনাল ট্রান্সডিউস হচ্ছে… এসবের সাথে নিবিড় সম্পর্ক আমাদের জীবনাচরণ, খাদ্যাভ্যাস ও পরিবেশের। এসবের কোনটার পরিবর্তন এর ফলেই এখন দেহের হরমোনাল আর মেটাবলিক ফাংশন চেঞ্জ হয়েছে। এখন নিজ নিয়মেই এটা আবার ক্রমান্বয়ে আগের মত হয়ে যেতে পারে বা এর কম-বেশি করে বা একই রকম থেকে “সেট” হয়ে যেতে পারে! এই পরিবর্তনটাও “ফিজিওলজিক্যাল”।

.

▪️ কিন্তু, আমার যে ক্ষতি হচ্ছে? শরীর ভেঙে যাচ্ছে। আমি নিঃশেষ হয়ে যাচ্ছি!

– সত্যি কথা বলতে; গা ম্যাজম্যাজ করা, দুর্বল দুর্বল লাগা, কিছু মনে থাকে না, পড়ায় মন বসেনা ইত্যাদি সমস্যা গুলো স্বপ্নদোষের জন্য নয়। স্বপ্নদোষকে “দোষ” মনে করার জন্য। মানে “মানসিক” যে বোঝা আপনি বয়ে বেড়াচ্ছেন তাই আপনার শান্তি কেড়ে নিচ্ছে। তবে হ্যা, যদি পর্ণ আসক্তি, হস্তমৈথুন, বিকৃত যৌনাচার বা অনুরূপ বাজে অভ্যাসগুলো ছাড়া কেবল “স্বপ্নদোষ” হতে হতে শরীরের ওজন কমে যায়, গাল-চাপা ভেঙে যায়, চোখ গর্তে ঢুকে যায়, দৃষ্টি ঝাপসা হয় তবে তা “স্বপ্নদোষ” এর জন্য না। অন্য কোন রোগের জন্য। এক্ষেত্রে আপনার “মেডিসিন স্পেশালিষ্ট” এর স্বরণাপন্ন হওয়া প্রয়োজন।

আর যদি উপরোক্ত বাজে অভ্যাস থেকে থাকে তাহলে তো বুঝতেই পারছেন! আগে এসব একদম বাদ দিতে হবে। বাদ মানে পুরোপুরি বাদ। আর একবারও করা যাবে না। এরপর বডির নিজস্ব ম্যাকানিজমে ঠিক হওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হবে। ধৈর্যের বিকল্প নেই- বহুদিনের ক্ষয় রাতারাতি পূরন হয় না। মনে রাখবেন – একদিনে সব হয়না, তবে একদিন সব হবে।

.

▪️ স্বপ্নদোষ হতে হতে বীর্য একদম পাতলা হয়ে গেছে! বিয়ে করতে ভয় পাচ্ছি!

– আগে বুঝুন, বীর্য আর শুক্রানু এক জিনিস নয়। বীর্য বা Semen এ থাকে প্রস্টেট এর নিসৃত তরল, সেমিনাল ভেসিকল নামক গ্লান্ডের নিঃসরণ, কাওপারস্ গ্লান্ড নামক গ্রন্থীর সিক্রেশন, কেমিক্যাল পদার্থ যেমন ফ্রুক্টোজ, শ্বেত রক্ত কনিকা এবং শুক্রানু বা Sperm.

অর্থাৎ, বেশিরভাগই তরল পদার্থ, সামান্য স্পার্ম (এই সামান্যই ৪০-৩০০ মিলিয়ন)। আর স্পার্ম ম্যাচিউর হতেও একটা নির্দিষ্ট পরিমাণ সময় লাগে। তার মানে বার বার স্বপ্নদোষ হয়ে বীর্য পাতলা হওয়া মানে হল- শুক্রানু বা Sperm আসলে তেমন যাচ্ছেনা, বাকি তরল অংশটাই বের হয়ে যাচ্ছে। এজন্যই মেডিকেল সাইন্স ব্যাপারটাকে “নরমাল” বলে।

আর বিয়ে করতে ভয় কিসের? বিয়ের পর বরং অধিকাংশ ক্ষেত্রে স্বপ্নদোষ বন্ধ হয়ে যায় বা অনেক কমে যায়। তাহলে বাকি টেনশন স্পার্ম নিয়ে? আরে ভাই, স্বামী-স্ত্রীর পবিত্র মিলন আর স্বপ্নদোষ কি এক? স্বাভাবিক মাত্রার মিলন, পর্যাপ্ত পুষ্টিকর খাবার আর স্বাস্থ্যকর লাইফস্টাইল অনুসরণ করুন। দেখবেন সব ঠিক। মনে রাখবেন ৪০ বা ৩০০ মিলিয়ন নয়, সুস্থ – সচল একটা স্পার্মই প্রেগনেন্সির কারন হয়!

.

▪️ স্বপ্নদোষ হলে কি গুনাহ হবে?

– না। তবে আপনি এ অবস্থায় অপবিত্র। পরিপূর্ণভাবে গোসল (যেটাকে আমরা ফরজ গোসল বলে থাকি) না করলে আপনার সালাত আদায় হবে না। ফরজ গোসলের নিয়ম জানতে মুফতি মনসুরুল হক এর ‘কিতাবুস সুন্নাহ’ বইটির (পিডিএফ- http://www.darsemansoor.com/…/up…/2017/12/kitabus_sunnah.pdf ) পৃষ্ঠা ১৪-১৬ পড়ে ফেলুন।

.

▪️ বুঝলাম ভাই। এটা রোগ না, তাই চিকিৎসাও নাই। কিন্তু মন তো মানেনা! এটা কমানোর উপায় বলেন?

– জ্বী, এটা রোগ না। কিন্তু “অল্টার্ড ফিজিওলজি”! আর এর চিকিৎসা আছে। ভুলে গেলে চলবেনা- চিকিৎসা মানেই “ঔষধ” নয়। লাইফ মোডিফিকেশন অ্যাডভাইসও চিকিৎসার অংশ!

আপনার চিকিৎসা ৪ টা-

১. মানসিক ও শারিরীক স্থিরতা আনুনঃ

– এটাকে রোগ/পাপ/খারাপ কিছু ভাবা বাদ দিন। মানসিক ভাবে চাঙ্গা থাকুন।

– যে কোন যৌন চিন্তা, সেক্স ফ্যান্টাসি, অহেতুক উত্তেজনা পরিহার করুন।

– দেহ মাত্রাতিরিক্ত ক্লান্ত হয়, এমন কাজ করবেন না।

– সাধারণ Free Hand Exercise (ইনস্ট্রুমেন্ট ছাড়া খালি হাতে সাধারণ শরীরচর্চা) করুন। যেমন, হাঁটা, জগিং, হাই স্টেপিং, স্কোয়াটিং, মাউন্টেইন ক্লাইম্বার, পুশ আপ, প্লাংক এসব। নিজের ক্ষমতা অনুযায়ী, খুব বেশি ক্লান্ত হওয়ার আগ পর্যন্ত।
.

২. লাইফ স্টাইল বদলানঃ

– টাইট পোশাক পড়বেন না। ঢিলে ঢালা জামা পড়ুন।

– রাতে ঘুমানোর কমপক্ষে ১ ঘন্টা আগে খাওয়া ও পানি পান শেষ করবেন।

– ঘুমানোর আগে ভালো ভাবে প্রস্রাব করে ওজু করে ঘুমাবেন।

– রাত জাগবেন না। উপুর হয়ে ঘুমাবেন না। কোল বালিশ ব্যবহার করবেন না। ভোরে উঠে যাবেন। একবার ঘুম ভাঙার পর “গড়াগড়ি” করা একদম নিষেধ।

– স্বপ্নদোষ হয়ে গেলে ভুলেও পর্ণ দেখবেন না, মাস্টারবেট করবেন না। দ্রুত বিছানা ছেড়ে গোসল করে নিন। মন খারাপ করে শুয়ে বসে থাকবেন না।

মাথায় যখন বাজে চিন্তা আসবে তখন এই লিখাগুলো অনুযায়ী আমল করবেন-

http://tinyurl.com/y65qp7a2

http://tinyurl.com/yydw4ss7

http://tinyurl.com/y58njrm9

যেদিন স্বপ্নদোষ হবে সেদিন একটু সতর্ক থাকুন। বিছানা থেকে দূরে থাকবেন যতটুকু পারেন, একা অলস সময় কাটাবেন না। বাহিরে ঘোরাঘুরি করবেন। খেলাধুলা করবেন। ভালো বন্ধু, বাবা মা, ভাইবোনদের সাথে সময় কাটাবেন।

– কখনোই সম্পূর্ণ উলঙ্গ হবেন না। এমনকি গোসল বা টয়লেট এ ও না। গোসল করার সময় বিশেষ করে লজ্জাস্থান ধোয়ার সময় খুব সাবধান থাকবেন।
.

৩. পুষ্টিকর খাবার খেয়ে ক্ষয়পুরন করে ফেলুনঃ

– দুধ, ডিম ও মাংস খাবেন।

– তাজা ফল ও শাকসবজি খাবেন।

– কালোজিরা, মধু, খেজুর, ভেজা ছোলা, কিসমিস, বাদাম নিয়ম করে খাবেন।

– পর্যাপ্ত পানি পান করবেন।
.

৪. বিশ্বাসের সাথে আমল করুনঃ

– ঘুমের আগে আয়াতুল কুরসি পড়া, সূরা ইখলাস, ফালাক, নাস তিনবার করে পড়ে শরীর মাসেহ করা, ঘুমানোর দুআ ও অন্যান্য যিকর আযকার,গুলো করে হৃদয়টাকে ঠান্ডা করুন। অনেক ইফেক্টিভ। হিসনুল মুসলিম বই বা app থেকে ঘুমানোর আমলগুলো জেনে নিন। লিংক- https://greentechapps.com/apps/hisnulbn

– বাথরুম, গোসলখানায় প্রবেশ ও বের হয়ে মাসনূন দোয়া পড়বেন।

– ডান কাত হয়ে শোবেন।

– আল্লাহর উপর ভরসা রাখুন।

আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ’লা আমাদেরকে হেফাযত করুন। আমিন।

#ভেঙ্গে_ফেলো_কারাগার

#স্বপ্নদোষ

শেয়ার করুনঃ
বদলে ফেলুন নিজেকে… এই রমাদানে (শেষ পর্ব)

বদলে ফেলুন নিজেকে… এই রমাদানে (শেষ পর্ব)

স্মরণ করুন বাইয়াতের রাতের কথা। আনসারদের একটা দল এসেছেন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর সাথে গোপনে দেখা করতে। কুরাইশরা খবর পেলে কাউকে আস্ত রাখবে না। নবীজিকে মদিনায় নিরাপত্তা দিতে আনসার সাহাবীরা প্রস্তুত। আলোচনার এক পর্যায়ে তাঁরা জানতে চাইলেন, ‘ইয়া রাসূলুল্লাহ, আপনাকে রক্ষার বিনিময়ে আমরা কী পাবো?’ রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর উত্তরে শুধু বললেন, ‘আল জান্নাহ’। এতটুকুই। আর কোন কিছুর ওয়াদা তিনি দিলেন না।
.
বাইয়াত নিতে আসা ৭০ জন আনসার সেই রাতে এতটুকু ভালমতোই জানতেন যে, প্রবল স্রোতের বিপরীতে গিয়ে নবীজি এবং মুহাজিরদেরকে আশ্রয় দেয়া মানে নিজেদের সম্পূর্ণভাবে কুরবানি করে দেয়া। শত্রুতা তৈরি হবে পুরো বিশ্বের সাথে। আন্তর্জাতিক বয়কটে অর্থনৈতিক মন্দার আশংকা তো আছেই, বর্শা-তরবারির আঘাতে যেকোনো মুহূর্তে চলে যেতে পারে প্রাণ।
এতকিছুর ক্ষতিপূরণ কী? #জান্নাত
.
এবার খেয়াল করুন আনসারদের প্রতিক্রিয়া। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর উত্তর শুনে উনারা বললেন- ‘এ তো এক লাভজনক ব্যবসা! আমরা কখনোই এই সুযোগ হাতছাড়া করবো না।’ [1]

কোন পাল্টা প্রশ্ন নেই, না সাহাবীদের কেউ পিছু হটলেন। এত দৃঢ়তা কীভাবে আসলো? জীবন-মরণের দোলাচলে এমন অনিশ্চয়তার পরিস্থিতে থাকলে কি ‘শুধুমাত্র জান্নাতের কথা শুনে’ এমন স্বতঃস্ফূর্ত জবাব বের হতো আমাদের জবান থেকে? ভাবুন প্লিজ।
.
যদি নির্দ্বিধায় নিঃসঙ্কোচে আমাদের ভেতর থেকে উত্তর না আসে, তাহলে কেন আসছে না? কারণ আমরা জান্নাত-জাহান্নাম নিয়ে স্রেফ ‘শুনেছি’ / ‘একসময় পড়েছি’, কিন্তু ‘উপলব্ধি’ করি না, চিন্তা-ফিকিরও নেই। আমাদের ২৪ ঘন্টা কাটে জাগতিক পরিকল্পনা আর আয়োজনে। অন্তরটা বেচে দিয়েছি দুনিয়ার তরে। তাই আর জান্নাতকে ‘উত্তম ব্যবসা’ মনে হয় না। জান্নাতের জন্য নিজেকে #আত্মত্যাগ করার বিষয়টাও ‘লজিকে’ আসে না।
.
সমাধানঃ “সকল ভোগ-উপভোগ বিনাশকারীকে (মৃত্যুকে) তোমরা বেশি বেশি স্মরণ কর।” [2]

#আখিরাতকে_নতুন_করে_উপলব্ধি_করুন
.
“তারা কি ঐ ব্যক্তির সমান, যে ব্যক্তি রাতে সিজদারত অবস্থায় অথবা দাঁড়িয়ে ইবাদত করে, #আখিরাতকে_ভয়_করে এবং তার প্রতিপালকের রহমত প্রত্যাশা করে? তুমি বল! যারা জানে আর যারা জানে না, তারা কি সমান হতে পারে? জ্ঞানবান লোকেরাই শুধু উপদেশ গ্রহণ করে।” (আয-যুমার, ৩৯ঃ ৯)
.
গত পর্বে আলোচনা ছিল যে, আল্লাহর কাছে আত্মসমর্পণ করতে হলে আমাদেরকে দ্বীনের দাবি সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারনা রাখতে হবে। ‘ইলম আমার মূর্খতাকে দূর করবে, কোরআন আমাকে আল্লাহর নিকটবর্তী করবে, সীরাহ আমাকে গাইডলাইন দিবে, ইসলামের সেনাপতিরা আমাকে অনুপ্রাণিত করবে। বাতিল-ভন্ডদের ছুড়ে ফেলে আমরা চিনতে পারবো আসল সুপারস্টারদের।

এই পর্বে ইতি টানবো আখিরাতের উপর একটু বিশেষ জোর দিয়ে…

কেন?
.
আমাদের অন্তরটা পাথরের মত শক্ত হয়ে আছে। আল্লাহর হুকুম-আহকামের বিপক্ষে গিয়ে আমরা এতকাল ইবাদত করেছি নিজের খেয়াল-খুশির (প্রবৃত্তি)। তাই অন্তরে মোহর পড়ে গিয়েছে [3]। এ অবস্থায় আমরা কোন হালাল-হারামের তোয়াক্কা করছি না। অন্তঃসারশূন্য, অভিশপ্ত এমন হৃদয়কে বদলে ফেলার একটাই দাওয়াই, পাথুরে অন্তরকে কোমল করা, নরম করা, বিগলিত করা। এটা তখনই সম্ভব হবে যখন মনের গহীনে জাহান্নামের ‘ভয়’ ও জান্নাতের ‘আশা’ – খুব ভালোভাবে গেঁথে যাবে। তাকওয়া নিয়ে কথা বলেছিলাম প্রথম পর্বে। মনে আছে তো? তাকওয়া বৃদ্ধি করতে মৃত্যু, কবরের আজাব, পুনরুত্থান, বিচার দিবসের পরিস্থিতি, জান্নাত-জাহান্নাম নিয়ে বারবার চিন্তা করা, উপলব্ধি করা খুব সহায়ক।
.
এ পদ্ধতি স্বয়ং আল্লাহ সুবহানওয়াতা’আলা থেকে প্রাপ্ত। নবিজি (ﷺ) এর কাছে নাজিল হওয়া একেবারে শুরুর সময়ের আয়াতগুলোর দিকে নজর দিলেই আমরা বুঝতে পারবো তাতে আখিরাতের বিভিন্ন বর্ণনা কতটা গুরুত্বের সাথে এসেছে। সূরা আলাকের প্রথম পাঁচ আয়াত আসার পরবর্তী সময়ে অধিকাংশ মুফাসসিরদের মতে নাজিল হয়েছে আল-মুদাসসিরের আয়াতগুলো [4]। অনুবাদ দেখে নিয়েন। এছাড়া অন্যান্য মাক্কী সূরা, বিশেষ করে আল-কিয়ামাহ থেকে আন-নাজিয়াত – সবগুলোর অনুবাদ পড়ুন, আমাদের কথার সত্যতা খুঁজে পাবেন।
.
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর নবুয়তি জীবনের শুরুর দিকে কুরাইশদের প্রতি দাওয়াতের মূল বিষয় ছিল তিনটিঃ

(১) আল্লাহই একমাত্র রব ও ইলাহ- তাওহীদ এর ঘোষণা।
(২) রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আল্লাহর প্রেরিত রাসূল – রিসালাতের সাক্ষ্য।
(৩) পুনরুত্থান, বিচার ও কাজের ফলাফল স্বরূপ জান্নাত বা জাহান্নাম। [5]
.
যখন আমার হৃদয় বিগলিত হয়ে যাবে আল্লাহর বড়ত্বের সামনে, উনার আজাব ও পুরস্কার সম্পর্কে পুরোপুরি জানবো তখন অন্তরে অনেকদিনের গড়া অহংকারের কাল্পনিক প্রাসাদ ভেঙ্গে চুরমার হয়ে যাবে, দাম্ভিকতা মিলে যাবে হাওয়ায়। আমরা বিনয়ী হতে পারবো, পারবো আল্লাহর কাছে নিজেকে সঁপে দিতে। সাহাবীরা পেরেছেন। যখন হুকুম-আহকাম এর বিধানগুলো পরবর্তীতে ধাপে ধাপে নাজিল হয়েছিল তখন তাঁদের প্রতিক্রিয়া কি ছিল পড়ে নিন ইতিহাসের পাতা থেকে। অধিকাংশ বিধান ছিল উনাদের আগেকার অভ্যস্ত জীবনের বিপরীত। তারপরও সমস্যা হয় নি। কারণ ততদিনে তাঁদের হৃদয় আল্লাহর দিকে পুরোপুরি ঝুঁকে গিয়েছিল। উনারা ঠিকই বুঝে গিয়েছিলেন এ সাময়িক দুনিয়া পরকালের #অসীম জীবনের কাছে কতটা তুচ্ছ।

সাহাবীরা ‘ইনফিনিটি’র মর্ম অনুধাবন করেছেন। আর আমরা এ ধারনাকে স্রেফ থিওরিতে সীমাবদ্ধ রেখে নিজেদের জ্ঞানী ভাবছি!

এই রমাদানে শুরু করতে পারেন ‘পরকালের পথে যাত্রা’ অডিও লেকচার সিরিজ (https://bit.ly/2RGlAvf) দিয়ে । মৃত্যু থেকে শুরু করে জান্নাত-জাহান্নাম পর্যন্ত গুছানো আছে আলহামদুলিল্লাহ। আল্লাহ্ সুবহানওয়াতা’আলা Rain Drops এর ভাইদের উত্তম প্রতিদান দিক। লেকচারগুলো দায়সারা ভাবে শুনে গেলে কাজ হবে না কিন্তু। যখন শুনবেন অন্য কোন কাজ করবেন না। মনোযোগ দিবেন। নোট করবেন।
.
নিজের শেষ পরিণতির কথা ভেবে কাঁদুন। যত গুনাহ করেছেন সবগুলোর জন্য আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাইবেন, অসংখ্যবার।

“ইয়া আল্লাহ্‌, মাফ করে দিন। জানা-অজানা সব গুনাহ মাফ করে দিন। অতীত বর্তমান ভবিষ্যতের সকল কবিরা গুনাহ, সগিরা গুনাহ মাফ করে দিন…”

ভাই, নিজের পাথুরে অন্তরটাকে ভেঙ্গে ফেলুন। এখনই সময়…
.
“যারা ঈমান এনেছে তাদের জন্য সে সময় কি এখনও আসেনি যে আল্লাহর স্মরণে আর যে প্রকৃত সত্য অবতীর্ণ হয়েছে তাতে তাদের অন্তর বিগলিত হয়ে যাবে? আর তারা যেন সেই লোকদের মত না হয়ে যায় যাদেরকে পূর্বে কিতাব দেয়া হয়েছিল, অতঃপর তাদের উপর অতিবাহিত হয়ে গেল বহু বহু যুগ আর তাদের অন্তর কঠিন হয়ে পড়ল। তাদের অধিকাংশই পাপাচারী।” (আল-হাদিদ, আয়াত ১৬)

অনেকদিনের অভ্যাস ছাড়তে কষ্ট হবে এটা স্বাভাবিক। এতকাল নেশার মত পর্ন-মাস্টারবেশন-মুভি-মিউজিক-পরনারী খুঁজেছে এ অন্তর। হুট করে তো সব বাদ দেয়া যায় না। অধিকাংশের ক্ষেত্রেই এটা সত্য। একটা একটা করে ছাড়ুন। লড়াই করতে থাকুন বজ্জাত নফসের সাথে। পাশাপাশি অন্তরে জায়গা করে দিন আল্লাহর কালামকে। বিশ্বাসে, আমলে ডুব দিন ইসলামের মিষ্টতায়। দেখবেন একদিন সত্যিই সফল হবেন। আল্লাহ্ই তা সম্ভব করে দিবেন, যদি আপনার অন্তরে থাকে #দৃঢ়তা আর কাজে থাকে #আন্তরিকতা
.
“শপথ (মানুষের) নফসের এবং যিনি তাকে (সবদিক থেকে) সুবিন্যস্ত করেছেন তাঁর। অতঃপর (তিনি) তাকে তার অসৎকর্ম ও সৎকর্মের জ্ঞান দান করেছেন। যে নিজেকে (নফসকে) শুদ্ধ করে, সে-ই সফলকাম হয় এবং যে নিজেকে কলুষিত করে, সে ব্যর্থ হয়।” (আশ-শামস, আয়াত ৭-১০)

অর্থাৎ, যে নিজের নফসকে শিরক, আল্লাহর অবাধ্যতা এবং চারিত্রিক অশ্লীলতা থেকে পবিত্র করবে, সে পরকালে #সফলতা#মুক্তি লাভ করবে। [6]

লিখাটা শুরু করেছিলাম জান্নাতের ঘোষণার ঘটনা দিয়ে। শেষটাও থাকছে তেমনি আরেকটি হাদিস দিয়ে-
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, “যে ব্যক্তি আমাকে তার দুই চোয়ালের মধ্যবর্তী জিনিস (জিহ্বার) এবং দুই পায়ের মধ্যবর্তী জিনিস (যৌনাঙ্গের) (সঠিক ব্যবহারের) নিশ্চয়তা দেবে আমি তার জন্য #জান্নাতের_নিশ্চয়তা দিব।” [7]
.
করবেন ইনভেস্ট এই লাভজনক ব্যবসায় যা কখনো ক্ষতির মুখ দেখবে না?
পেতে চান সফলতা যা আর কখনো ছিনিয়ে নেয়া হবে না?
তাহলে বদলে ফেলুন নিজেকে, এই রমাদানে। ফিরে আসুন, তওবার পথ এখনো খোলা।
ফিরে আসুন, সময় থাকতেই।
আপনাকে গ্রহণ করে নিবেন আসমানের বাসিন্দারা।
আহলান ওয়া সাহলান…
.
রেফারেন্সঃ
[1] সীরাহ, প্রথম খন্ড
[2] তিরমিযী, ২৪০৯
[3] পড়ুন, আল-জাছিয়া, আয়াত ২৩
[4] তাওযীহুল কোরআন, তাফসীর ইবন কাছির
[5] তাফহিমুল কোরআন
[6] আহসানুল বায়ান
[7] বুখারী, ৬৪৭৪, ৬৮০৭; তিরমিযী, ২৪০৮
.

শেয়ার করুনঃ