বলিউড: মিথ, বাস্তবতা এবং ছলনা (প্রথম পর্ব)

বলিউড: মিথ, বাস্তবতা এবং ছলনা (প্রথম পর্ব)

ভারতের তিনটি ব্যবসা খুব জোরেশোরে চলে ওয়ার্ল্ডওয়াইড।
১/ বলিউড;
২/ ক্রিকেট;
৩/ টুরিস্ট ব্যবসা।
.
আজকের আমাদের আলোচনার বিষয় হল বলিউড। আজ আলোচনা হবে কীভাবে এটি আমাদের মাঝে পর্নোগ্রাফি, সমকামীতা, অযাচার আর নানা ধরণের মতবাদ ছড়িয়ে দিচ্ছে এবং আলোচনা হবে এদের ইনসাইডারদের বিকৃতি নিয়ে।
.
বলিউডের একটি মুভি বা একটি আইটেম সং-ই একেকটা পর্নোগ্রাফির সমান। মানসিক বিকৃতি আর অবাধ ওয়েস্টার্ন কালচারের সমাবেশ এই বলিউডকে করেছে রঙিন, পৌছে দিয়েছে অনন্যতায়। স্ক্রিপটেড অ্যাওয়ার্ড শো, শত শত কোটি টাকার ব্যবসা, ইসলামফোবিয়া, সেক্যুলারিজম, সেক্সিজম, প্লেজিয়ারিজম, সারিয়ালিজম, লিবারেলিজম, হিউম্যানিজম, ম্যাটার‍্যালিজমের পসরা সাজিয়ে নিয়ে গঠিত এই বলিউড শোবিজের নামে প্রতিটি স্তরের মানুষের মনে ঢুকিয়ে দিয়েছে সব ধরণের বিকৃতি। এই গড্ডালিকায় গাঁ ভাসানো মানুষেরা জানে না বা জানতে চায় না এর ‘বিহাইন্ড দ্যা সিন’ কারসাজি। এর অদেখা জগত সম্পর্কে তারা মোটেও ওয়াকিবহাল নন। কারণ এটা তাদের কাছে কেবল বিনোদনের একটি অংশ মাত্র।
.
এই বলিউড আমাদের যুবক-যুবতীর মনে ঢুকিয়ে দিয়েছে যে, নিজের শৈশব জীবনের নস্টালজিয়া হচ্ছে বন্ধু-বান্ধবের সাথে বিড়ি টানা, গালাগালি করে কথা বলা, পর্ন দেখা, মাদকাসক্ত হওয়া, রাফ চলাফেরা করা, প্রেম করা ইত্যাদি। এগুলো তাদের পুশ করা এজেন্ডা।
.
যেকোন জায়গায় কোনো এজেন্ডা বাস্তবায়ণ করার একটা মৌলিক দিক হল, সেই জায়গায় কিছু মানুষকে যারা খ্যাতির জন্য নিজের আদর্শকে বিলিয়ে দিয়ে সমাজে নোংরামি আর বিকৃতি আমদানি করতে পারে, তাদেরকে টাকা পয়সা দিয়ে সেই এজেন্ডার প্রচারক বানিয়ে দেওয়া। পরবর্তিতে এই প্রচারকদের মাধ্যমে এজেন্ডা বাস্তবায়ণ হয়ে গেলে সেখানে এই এজেন্ডার ফ্রি ফলোয়ার তৈরি হয়ে যায়। এদের টাকা দেওয়া লাগে না। ওই যে, যাদেরকে টাকা দিয়ে এজেন্ডার প্রচারক বানানো হয়েছিল তাদের আদর্শকে একদল লোক সত্য বলে ধরে নেয়।
.
এই যে সমকামী এজেন্ডা, এর টেকনিকাল ইমপ্লিমেন্ট এইটাই। আগে সমকামীতার প্রচারকরা মানুষের মননে-মস্তিষ্কে ঢুকিয়ে দিয়েছে যে, সমকামীরা সমাজে নির্যাতিত, অবহেলিত! এখন এদের জন্য সিম্পেথি দেখিয়ে মানুষকে সমকামীতার সমর্থক বানানো হচ্ছে, সমকামীতাকে গ্লরিফাই ও সেলিব্রেইট (প্রাইড মান্থ এর একটি দিক) করা হচ্ছে যেন এটি খুব ভালো জিনিস এবং এটি বর্তমানে চলমান একটি প্রক্রিয়া। এই প্রক্রিয়ায় নেক্সট জেনারেশনের লোকদের টাকা দিতে হচ্ছে না। বরং তারা একে মানবিকতার একটি অংশ বা দিক মনে করেই এদের সমর্থন করে যাচ্ছে!
.
এই একই ট্যাকটিক বলিউড ভারত উপমাহাদেশে খেলেছে। বলিউড আমাদের উপমহাদেশে ছড়িয়ে দিচ্ছে পর্নোগ্রাফি, সমকামীতা, লিভ-ইন বা লিভ-টুগেদারের (এই ইস্যুগুলো নিয়ে লিটারেলি তারা মুভি তৈরি করেছে) মত অসামাজিক ও নোংরা সংস্কৃতির বিষবাষ্প। এরা নিজেদের কন্টেন্ট ক্রিয়েটর বলে কিন্তু কন্টেন্টের নামে এরা আমদানি করেছে বিজাতীয় ও ইসলাম বিরোধী সংস্কৃতি, লিগালাইজ করছে অবাধ যৌনাচার! কিন্তু আমরা না বুঝেই বলিউড বন্দনায় মেতে উঠেছি!
.
রিসেন্টলি সুশান্ত সিং মারা যাওয়ায় বলি পাড়ায় রীতিমত ঝড় উঠেছে। নেপোটিজম এবং সেক্সিজম নিয়ে বেশ কথাবার্তা হচ্ছে। মিটিওরিক স্টারডম পাওয়া এই অভিনেতা কেনই বা আত্মহত্যা করল? নিছক প্রেম ভালোবাসা? আমার বিশ্বাস হয়না। তার নিজের যেমন টাকা পয়সা আর খ্যাতি-যশ ছিল, চাইলেই সে সহজে অন্য যে কারো সাথে রিলেশনে যেতে পারত।
.
তবে আমি আপনাদেরকে কিছু ফ্যাক্ট দিতে চাই যেগুলো ইলেকট্রনিক মিডিয়া এবং প্রিন্ট মিডিয়ার মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে এই অভিনেতার মৃত্যুর কন্সিকিউয়েন্সে।
.
সুশান্তের মারা যাওয়ার আগে তার সম্পর্ক ছিল রিয়া চক্রবর্তী নামের আরেক অভিনেত্রীর সাথে। কিন্তু সেই অভিনেত্রীর একটি স্কেপটিকাল রিলেশন আছে ষাটোর্ধ বলি-বিখ্যাত ডিরেক্টর মহেশ ভাটের সাথে যেই লোকটি মুভির নামে অসংখ্য পর্নোগ্রাফিক ফিল্ম উপহার দিয়েছে তার দর্শকদেরকে। সে সুশান্তের মৃত্যুর কিছুদিন পুর্বে বলেছে যে, সুশান্ত ছেলেটা পাগল হয়ে যাচ্ছে এবং সে নাকি খুব শীঘ্রই সুইসাইড করবে এবং আসলেই কিছুদিন পর সে সুইসাইড করে। তবে সুশান্তের ফরেনসিক রিপোর্টে, বেডশিটে কোনো ফিঙ্গারপ্রিন্ট পাওয়া যায়নি কেবল অপরিচিত কারো বাম হাতের ফিঙ্গার প্রিন্ট ছাড়া। তাই একে অনেকেই সুইসাইড না বলে হত্যা বলতে চাচ্ছেন!
.
সে যাইহোক, এত লম্বা প্যাঁচাল কেন পাড়লাম? উদ্দেশ্য হল এই মহেশ ভাট। এই লোকটা তার নিজের বড় মেয়েকে কিস করেছে ও নিজের এই মেয়েকেই বিয়ে করতে চাচ্ছিল এবং সে এটা মিডিয়ার সামনে স্বীকারও করেছে! কতটা পার্ভাট হলে কেউ নিজের মেয়েকে কিস করে ও বিয়ে করতে চায়?
.
চলবে ইনশা আল্লাহ …
.
টীকাঃ
.
১] ইসলামফোবিয়াঃ ইসলামবিদ্বেষ। ইসলামের বিভিন্ন বিধান নিয়ে কটুক্তি করা।
.
২] সেক্যুলারিজমঃ ধর্মনিরেপেক্ষতাবাদ। ধর্ম আর রাষ্ট্র-রাজনীতিকে আলাদা মনে করা। এর মূল কারণ ছিল, ইউরোপে খ্রিষ্টান চার্চের মাত্রাতিরিক্ত নির্যাতন যা থেকে বাঁচতে এই মতবাদের উৎপত্তি হয়। এর মূল ধারনা হল ধর্মের সাথে রাষ্ট্র পরিচালনার কোনো সম্পর্ক নেই। অথচ ইসলামি শরিয়াহ’র উদ্দেশ্য হল আল্লাহ’র জমিনে আল্লাহ’র আইন বাস্তবায়ন করা।
.
৩] প্লেজিয়ারিজমঃ লেখা চুরি। অন্যের সাহিত্যকর্ম বা রচনা চুরি করে নিজের নামে চালিয়ে দেওয়া।
.
৪] লিবারেলিজমঃ উদারনৈতিকতা। সহজভাষায় বললে, সবকিছুতে তারা উদারতা খোঁজে। ইসলামের নানা বিধান নিয়ে তাদের সমস্যা, কারণ তাদের মতে এগুলোতে উদারতা নেই।
.
৫] হিউম্যানিজমঃ মানবতাবাদ। ‘সবার উপরে মানুষ সত্য তাহার উপরে নাই’ এই টাইপের বিশ্বাসী। তারা ধর্মের উপরে মানবতাকে স্থান দেয়। অথচ, এই মানবতার নেই কোনো গাইডলাইন, নেই কোনো মূলনীতি। যেমনঃ ধরুন ‘ক’ ব্যক্তি ‘খ’ কে হত্যা করল। এটা মানবতাবিরোধি। এতে ‘খ’-এর পরিবারের অনেক ক্ষতি হল। তাই, তারা সরকারকে ‘ক’-এর হত্যার দাবি জানালো এবং সরকারি নিয়মানুযায়ী তাঁকে ফাঁসির আদেশ দেওয়া হল। এখন ‘ক’-কে হত্যা করা কী মানবতাবিরোধী নয়? আর হত্যা না করা হলে তা-কি ‘খ’ এবং তার পরিবারের প্রতি না-ইনসাফি নয়? মানবতাবিরোধী নয়? তাই মানবতার সঙ্গার্থ একেক প্রেক্ষাপটে একেকজনের কাছে একেকরকম। তাই, এই মানবতা বিশালভাবে ডিফায়েন্ট এবং ইনডিফিনিট! তাই, এটা নিয়ে জানতে Iftekhar Sifat ভাইয়ের এই লেখাটি পড়তে পারেন [https://bit.ly/2YCJN9C]।
.
৬] ম্যাটারিয়ালিজমঃ বস্তুবাদ। জীবনের সুখ-শান্তি, সাফল্য বস্তু’র মাঝেই যেমন, গাড়ি, বাড়ি, নারী, টাকাপয়সা ইত্যাদিতে নিহিত আছে বলে মনে করা।

.
লেখক: Mashud Ur Rahman
.
#SaveFoundation_প্রবন্ধলিখন_প্রতিযোগিতা_২০২০

শেয়ার করুনঃ
আমরাই তোমাদের সমাজ…

আমরাই তোমাদের সমাজ…

আমরা স্কুল কলেজ ইউনিভার্সিটি তে ছেলেমেয়েদের একসাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে পড়াশোনা করাবো, সম অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে বলে কথা। আমরা তাদেরকে শারীরিক শিক্ষা বই এর মাধ্যমে শিখিয়ে দেবো কিভাবে বয়ঃসন্ধির প্রভাবে ছেলেমেয়েদের মাঝে শারীরিক মানসিক চাহিদা তৈরি হয়। এই শূন্যতা, চাহিদা সঠিক উপায়ে পূরণ করার পদ্ধতি কি বা নিয়ন্ত্রণের উপায় কি তা আমরা কখনো তাদেরকে শেখাবো না, সেই সব বিষয় সহজলভ্য করবো না। বরং আমরা এও শিখিয়ে দেবো চারপাশের বিবাহের উদাহরণ দেখিয়ে যে, লাখ টাকার চাকরি ছাড়া আর বয়স ৩০ পেরিয়ে মাথা টাক হবার আগ পর্যন্ত সমাজে বিয়ের কথা বলা জঘন্য পাপ, হারাম।
.
আমরা তাদেরকে প্রথমালু, একাত্তর সহ সকল টিভি মিডিয়া পত্রিকা দিয়ে শেখাবো বাল্যবিবাহ অনেক বড় পাপ, আর শরীরের প্রেম অনেক মহৎ একটি গুণ সেটা যেই বয়সেই হোক না কেনো, ক্লোজ আপ এর অনেক বড় বড় নারী পুরুষের কাছে আসা ব্যানার টানিয়ে শেখাবো কিভাবে কাছে আসার গুণ অর্জন করতে হয়, লিটনের ফ্ল্যাটে যেতে হয়। আমরা তাদেরকে সমাজের বিশিষ্ট বুদ্ধিজীবী, লেখক ঔপন্যাসিকদের মন ভুলানো প্রেমের গল্প দিয়ে শিখিয়ে দেবো একটু আধটু বিয়ের বাইরে প্রেম ছাড়া জীবন টা অর্থহীন, পানসা, বিবাহের পর পরকিয়ার টেস্ট না নিলে কি আর জীবন এ টুইস্ট থাকে! আমরা তাদের হাতে কম বয়সে মোবাইল, ট্যাব, ল্যাপটপ তুলে দিয়ে অবাধে ইন্টারনেট দিয়ে শেখাবো কিভাবে পর্ণ মুভিতে আসক্ত হতে হয়, জীবনটাকে শুধু এঞ্জয় করতে নারী পুরুষের সম্পর্কটা শুধু যৌনতা দিয়ে চিন্তা করতে হয় (ফ্রয়েড বাবুদের ফিলোসফি তো রেডি ই রেখেছি ইন্টালেকচুয়াল আর্গুমেন্ট হিসেবে)।
.
আমরা তাদেরকে সারাজীবন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নামক অন্ধের কারখানায় শিখাবো কিভাবে বেশি টাকা আয় করে সমাজে সফল হতে হয়, একটা চকচকে চামড়ার ফার্মের মুরগি নামক ঘিলুবিহীন মাংসপিন্ড বা ভুড়িওয়ালা টাকার মেশিন বিয়ে করে সমাজে ইর্শ্বনীয় হতে হয়, সুখ পেতে হয়। আমরা তাদেরকে নীতি নৈতিকতার স্ট্যান্ডার্ড শিখাবো যুগের সাথে বয়ে চলা ট্রেন্ড থেকে। যেখানে ছেলে ধর্ষণ করলে বাবা বলবে, “এই বয়সে ছেলেপেলে একটু আধটু করেই, আমিও আকাম করি, আমার কি যৌবন নাই?” জাফর ইকবালদের কলাম দিয়ে শেখাবো স্টুডেন্ট লাইফে প্রেম করতে হয়, তাছাড়া পড়াশোনায় মন বসানো কঠিন। নাটক, মুভি, গান দিয়ে শেখাবো সময় কাটানোর সবচেয়ে কার্যকরী মাধ্যম এর চেয়ে ভালো আর কিছু হতেই পারে না। নায়ক নায়িকা সেলিব্রেটিদের লাইফ দেখিয়ে শেখাবো কেনো আমাদের জীবন টা অপূর্ণ তাদের মত হতে না পেরে।
.
আমরা তাদের শেখাবো কিভাবে টকশোর বিজ্ঞানীরা এতো জ্ঞানী হলো, আর মডেলদের দেহ বিক্রি করা পেশাকে ফ্যান্টাসি আইডল হিসেবে কেনো প্রতিষ্ঠা করবো। তাদেরকে খুব সূক্ষ্মভাবে শেখাবো তোমার শরীরের অনেক চাহিদা আছে, জীবনে চাহিদা পূরণ না করতে পারা লুজারদের বৈশিষ্ট্য, যেহেতু বৈধ পথে এইসব চাহিদা মেটানো কঠিন তাই তোমরা অবৈধ পথ কে লিগালাইয করা শেখো মনে মনে। বিচার ব্যবস্থা দেখিয়ে শেখাবো সমাজে দাপট, টাকা, আর রাজনৈতিক ব্যানার থাকলে তুমি যা খুশি তাই করতে পারো। এবার তুমি খুন করো, ধর্ষণ করো, ঘুষ খাও, সুদ খাও, যা খুশি তাই করো তোমাকে কেউ কিছু বলবে না, কোন শাস্তি নেই তোমার। আমরা তাদেরকে ধর্ম শিখতে দেবো না, পরকাল বিশ্বাস মজবুত করতে দেবো না, স্রষ্টা, ধর্ম, নিয়ম কানুন সব কেবল হুজুরদের মধ্যযুগীয় স্মৃতিরক্ষার রীতি হিসেবে শিখিয়ে আসবো। দিন শেষে তাদেরকে এমন এক আজব পশুরুপী মানুষ হতে শেখাবো যেখানে জীবনের কোন উদ্দেশ্য নেই, কোন চিরন্তন গন্তব্য নেই, নেই কোন নির্দিষ্ট স্ট্যান্ডার্ড বা আদর্শ যে অনুযায়ী সে চলবে। আমরা তাদেরকে শেখাবো, আরে এই যুগে এটা মানা যায় নাকি, ওটা ছাড়া যায় নাকি এমন অজুহাতে সকল পূণ্য কে এড়িয়ে চলতে আর পাপ কে আপন করে নিতে।
.
এতোসব কিছু শেখানোর পর যখন সে টিকতে না পেরে প্রেমের ফসল হিসেবে এবরশন এর অভিজ্ঞতা নিয়ে হাজির হয় তখন আমরা চোখ বন্ধ করে এড়িয়ে যাবো, যখন ধর্ষণ করবে তখন “পুরুষ তুমি মানুষ হও” দিয়ে কলাম ছাপাবো, নারী তুমি বন্ধুর পার্টিতে যেতেই পারো, একটু মাখামাখি করতেই পারো, তাই বলে অমতে ***! তবে তোমার ইচ্ছায় হলে সেটাকে আমরা নারী স্বাধীনতা বলতাম, প্রেমের বহিঃপ্রকাশ বলতাম! যখন সে খুন করবে, সুদ, মদ, ঘুষ খাবে সেগুলোকে আমরা ব্যক্তিস্বাধীনতা বলবো, একটু আকটু হয় বলে সমাজের সকলকে এই ক্যাটাগরীতে দেখিয়ে তৃপ্তির ঢেকুর তুলবো। সামান্য পাওয়া না পাওয়া নিয়ে সুইসাইড করলে, জীবনের অর্থ না পেয়ে হতাশ হয়ে গেলে সুখন ভাইদের দিয়ে মোটিভেশনাল স্পিচ দেয়াবো, “কিভাবে এই দুনিয়ায় সফল হতে হয়?” তবে পরকালের ব্যাপারটা সব সময় পাশ কাটিয়ে, ঘৃণা দেখিয়ে চলে যাবো। তোমাদের নীতি নৈতিকতা বলতে যখন কিছুই থাকবে না তখন টিভি পত্রিকায় টকশো কলামে বড় বড় আর্টিকেল ছেপে দেখাবো, ডিবেট করে প্রমাণ করবো এর পিছনে মনোবিজ্ঞানের অমুক জীন দায়ী। তবুও আমরা কখনো আমাদের দ্বীমুখী নীতি স্বীকার করবো না, নিজেদের ভণ্ডামি ছাড়তে চাইবো না আমরা যে কতটা অন্ধ গোঁড়া তা মানতে চাইবো না। যত যাই হোক, চূড়ান্ত সমাধান যে আসলে একটাই- “ইসলাম” সেটা কখনই প্রয়োগ ঘটাতে চাইবো না, তা নাহলে আমাদের মুখোশ যে খুলে যাবে। হ্যা আমরা এমনই, আমরাই তোমাদের সমাজ…
.
Post Courtesy: Mahfuj Alamin

শেয়ার করুনঃ
ষোলো – ফেব্রুয়ারি সংখ্যা ২০২১

ষোলো – ফেব্রুয়ারি সংখ্যা ২০২১

আজ তারা ভালোবাসার সংজ্ঞাই পাল্টে ফেলেছে। ভালোবাসাকে করে ফেলেছে ভ্রষ্টদের নষ্টামোর সমার্থক শব্দ।
.
আজ তারা ভালোবাসার গল্প বলে, কাছে আসার গল্প বলে। তাদের এই গল্পগুলো দুনিয়াতে কেমন পুরস্কার বয়ে আনে তা আমরা দেখেছি। রাস্তার পাশের ডাস্টবিন থেকে ছাত্রী হলের ট্রাংক, সবকিছুই তাদের কাছের আসার গল্পের স্বাক্ষ্য দেয়। পরকালীন পরিণতি কী হতে পারে তা আর নাই-বা বললাম।
.
পশ্চিম থেকে আমদানিকৃত এই বেহায়াপনা কখনোই ভালোবাসা ছিল না। প্রেমিকার জন্য বিশ্ব সংসার তন্য তন্য করে ১০৮টি নীল পদ্ম খুঁজে আনা কিংবা দুরন্ত ষাঁড়ের চোখে লাল কাপড় বাঁধা ভালোবাসা নয়। ভালোবাসা এগুলো থেকে মুক্ত, পবিত্র। ভালোবাসা একটি ইবাদাত।
.
পিতা-মাতার প্রতি সন্তানের ভালোবাসাও ভালোবাসা, ভাইয়ের জন্য ঝগড়াটে বোনের ভালোবাসাটাও ভালোবাসা। আবার আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য একে অপরকে ভালোবাসাও ভালোবাসা। বরং এটা এমন এক ভালোবাসা, যা আমাদেরকে সেইদিন আরশের ছায়ায় স্থান করে দেবে যেইদিন তাঁর ছায়া ব্যতীত কোনো ছায়া থাকবে না। এটা এমন এক ভালোবাসা, যার পুরস্কার দেখে নবিরা পর্যন্ত ঈর্ষান্বিত হয়ে পড়বেন।
.
ভালোবাসার ব্যাকরণ ভুলে যাওয়া আমাদের এই নতুন প্রজন্মকে ভালোবাসার আদি ও অকৃত্রিম পাঠ মনে করিয়ে দিতেই আমাদের এবারের আয়োজন ছিল ভালোবাসা নিয়ে। ভালোবাসার নাম ভাঙিয়ে চলা অশ্লীলতা আর বেহায়াপনার কাউন্টার দেওয়া এবং প্রকৃত ভালোবাসার ব্যাপকতা তুলে ধরার চেষ্টা করেছি আমরা। আল্লাহ আমাদের এই ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র প্রচেষ্টাকে কবুল করুন। আমীন।
.
এবারের সংখ্যায় আমরা একটি #ঐচ্ছিক_মূল্য নির্ধারণ করেছি, #পঁচিশ_টাকা। এমনিতে #ফ্রি থাকছে। তবে কেউ চাইলে কিনেও নিতে পারবে। এই টাকা দিয়ে আমরা কী করবো? বিভিন্ন ক্যাম্পেইনে কাজে লাগাবো। কীভাবে কিনবে ভাবছো? ফর্ম পূরণ করো এই লিংকে– https://forms.gle/3znRJYqTJ9jhit418
অতঃপর ম্যাগাজিন ডাউনলোড করে নাও এই লিংক থেকে– rebrand.ly/SholoFebruary
.
আমাদের ভালোবাসাগুলো হোক আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য, হোক জান্নাতের পাথেয়। ভালোবাসা রইলো ষোলো’র প্রতিটি পাঠক এবং পাঠিকার জন্য। উহিব্বুকুম ফিল্লাহ!
———-
বরাবরের মতোই এই মাসেও

ষোলো

 পেইজের ভাইয়েরা নিয়ে এসেছে মাসিক ম্যাগাজিন। এবারের সংখ্যাটি ভালোবাসা নিয়ে। আশাকরি এই ম্যাগাজিন দ্বারা আপনারা খুবই উপকৃত হবেন। ইনশা আল্লাহ।

#ভালোবাসা_দিবস
#ভ্যালেন্টাইন
#ষোলো
#ম্যাগাজিন

শেয়ার করুনঃ
আমার স্ত্রীও আমাকে ছেড়ে চলে যায়…

আমার স্ত্রীও আমাকে ছেড়ে চলে যায়…

আমার বয়স যখন ১২, তখন থেকেই আমার পর্ন দেখা শুরু। পরিচয়টা করিয়ে দেয় আমার সৎ মা। ১২ বছর বয়সে সে-ই আমাকে প্রথম পর্ন দেখায়। তখন থেকেই আমি তার রুম থেকে চুরি করে এনে একাকী পর্ন দেখতাম।
.
পাঁচ বছরে মাথায় পর্নের জন্য আমি মোটামুটি পাগল হয়ে যাই। একজন মুভি-সেলার ছিলো, যে নতুন কোনো পর্ন আসলেই সেটা বাজারে ছেড়ে দিতো। আমি তার কাছে আমার নাম রেজিস্ট্রেশন করলাম। এমন দিনও কেটেছে, যখন আমি একসাথে ১২ টা ডিভিডি কিনেছি এবং সকাল থেকে রাত পর্যন্ত একটানা পর্ন দেখেছি।
.
আস্তে আস্তে শুরু করি হস্তমৈথুন। ততদিনে এক পতিতার কাছে খুলে যায় আমার বাইরের মুখোশ। আমি ঘনিষ্ঠ হই তার সাথে। ভাগ্যের নির্মম পরিহাস! আমার STD ধরা পড়ে। [https://wb.md/3pwpcPf] দীর্ঘসময় আমাকে আইসোলেশনে থাকতে হয়েছে। নিজের গুপ্তাঙ্গ হারাতে হারাতে বেঁচে গেলাম আমি।
.
সুস্থ হওয়ার পরপরই আমি আবার পর্ন দেখা শুরু করি। এর ফলে আস্তে আস্তে কিছু জিনিসের সম্মুখীন হলাম। সেগুলো আপনাদের বলছি –
.
== ২৬-২৮ বছরের মধ্যেই আমি মানসিকভাবে পুরোপুরি বিধ্বস্ত হয়ে যাই। একটা অবুঝ শিশুতে পরিণত হই আমি। সাধারন নিয়ম-কানুন, অনুশাসনও আমার মাথায় ধরতোনা।
.
== ৩০ বছর বয়সে আমি বিয়ে করি। এমনকি বিয়ের পরেও আমি আমার স্ত্রীর সাথে পর্ন দেখেছি,, হস্তমৈথুন করেছি। ধীরে ধীরে আমার পুরুষত্ব হারিয়ে ফেলতে শুরু করি। এরপর দ্রুত বীর্যপাত।
.
ততদিনে ঈমানের নূর আমি হারিয়ে বসেছি। অন্তরে আল্লাহর ভয়ের ছিটেফোটাও ছিলোনা। আমি নামাজ পড়তাম না। অপরাধ আর জুলুমের কাছে নিজেকে খুব বেশীই সঁপে দিয়েছিলাম আমি। গুনাহগুলো সব স্বাভাবিক হতে শুরু করে। আমিও আস্তে আস্তে হারিয়ে ফেলি সব।
.
== আমার স্ত্রীও আমাকে ছেড়ে চলে যায়। তার মতে, আমি মানসিক ভারসাম্যহীন। তার কথায় অবশ্য যুক্তি আছে, কারণ মাঝেমাঝেই আমার হ্যালুসিনেশন হতো [https://bit.ly/36xzGX0]। মানসিক রোগের একটি লক্ষণ এটি।
.
== বারবার তাওবাহ করেছি আমি। কিন্তু প্রত্যেকবারই একমাস বা তার কিছুদিন পরেই আমি আবার ফিরে যেতাম আগের দুনিয়ায়।
.
সিগারেট কিংবা ড্রাগস ছাড়া আমার জন্য এতটা কষ্টকর ছিলোনা। কিন্তু পর্ন ছাড়া আমার জন্য রীতিমতো অসম্ভব ছিলো।
.
আমি দুয়া করি, আল্লাহ আমাকে এবং আমার মতো আসক্তদেরকে এই কলুষতা থেকে পরিত্রাণ পাওয়ার তাওফিক দান করুক, এবং এই নোংরামি থেকে নিজেকে বাঁচিয়ে রাখার জন্য মজবুত ঈমান দান করুক।
.
== আমার দৃষ্টিশক্তির অবনতি হতে শুরু করল। ২২ বছর বয়সেই আমাকে চশমা পরতে হয়। একসময় আমার চোখ দিয়ে দুধের মতো সাদা তরল বের হতে লাগলো।
.
== কুরআন মুখস্ত করতাম একসময় আমি। মুহুর্তের মধ্যেই সব হারিয়ে ফেলি আমি।
.
== আমার স্মৃতিশক্তি লোপ পেতে শুরু করে। আমি ছিলাম ক্লাসের উজ্জ্বল, মেধাবী ছাত্র। অথচ আমি হয়ে যাই গাধা। আমার চিন্তা চেতনা হয়ে পড়ে পাগলাটে, দূষিত।
.
আপনাদের সাথে আমার গল্প শেয়ার করার কারন হচ্ছে, আমি চাইনা আপনারা আমার মতো শিকার হন। জীবনের প্রতিটা সেকেন্ড আমি পস্তাচ্ছি। এবং আমি কখনোই আমার সেই সৎ মা’কে ক্ষমা করবোনা যে আমাকে এই জগতের সাথে পরিচয় করিয়েছে।
.
আপনি যদি ইতোমধ্যেই পর্ন দেখে থাকেন, তাহলে এখনই বন্ধ করুন। অন্যথায়, এটি আপনার যে ক্ষতি করবে আপনি তা কখনোই ফেরাতে পারবেননা। আর আপনি যদি এখনও না দেখে থাকেন, তাহলে পালিয়ে বাঁচুন এর থেকে। কোকেইন বা ড্রাগসের চেয়েও বেশী মারাত্মক এই পর্ন।
.
…………………………………………………………………
Taemin Muqassam ভাইয়ের পোস্টের সঙ্গে সংযুক্ত ইমেজগুলোর বাংলা অনুবাদ। মূল পোস্ট পড়তে ক্লিক করুন এখানে-  বিষ
শেয়ার করুনঃ
বিষ

বিষ

অশ্লীলতা নিয়ে আল্লাহ্’র পক্ষ থেকে হুশিয়ারি আছে অনেক, আমরা তো অনেকে অশ্লীলতার সংজ্ঞাও জানি না, আসলে সেই সবচেয়ে বড় অশ্লীল যে নিজের নিকট নিজের একাকিত্বের সঙ্গী হিসেবে নিজের জামিল ওয়াক্তগুলোতে অশ্লীল, সে বিকৃত মস্তিষ্কের, সুস্থতার ভান করা কোন অসুস্থ লোক, আর অসুস্থ তার চাহনিও। আর অসুস্থ বানানোর চর্চায় বর্তমানে বা এই জিনিষের পিছনে সবচেয়ে বেশী দায়ী যেই জিনিষটা সেটা হচ্ছে ব্লু ফিল্ম উইদিন ডার্ক ওয়ার্ল্ড, এ নিয়ে আলোচনা করতে গেলে তা হবে বিশাল থেকে বিশালতর, সাইকোলজিক্যাল টার্মই ৪৭ হাত বিশিষ্ট, সেদিকে আপাতত না যাওয়াই হয়তো মঙ্গল।
.
নিঃসঙ্গ অপরাধ বা নিরিবিলি পাপ কি? আর পরিণতি কি? আমি শুধু সেই জিনিষটা বুঝাতে চাচ্ছি।
.
সবচেয়ে সহজ ভাষায় যদি আমি বলতে চাই তাহলে এই জিনিষটা এমন কিছু, যে আপনি নিজের জিনিষ নিজে চুরি করলেন অথবা নিজের গলা নিজে চেপে ধরলেন, আপনি নিজেকে মেরে ফেলেন না, তবে নিজের কাছে মরে যান প্রতিনিয়ত, ধ্বংসলীলার পরবর্তী অনুশোচনাই আপনাকে ভাসিয়ে দেয়, ব্যস এতোটুকো কমন৷ তবে ক্ষতি কি এতোটুকোই হয়? অজান্তেই আল্লাহর আজাব যে আসে এটা ক’জন বুঝে?
.
শারিরীক মানসিক এবং আধ্যাত্মিক আলাপ টানতেও যদি যাই তবে কিতাব লিখা লাগবে বা পার্ট ভিত্তিক লেকচার দেওয়া লাগবে অথবা সেমিনার… যেগুলো সম্ভব না, কেবল আপনার পদন্নোতি টা দেখুন৷
নীরবে অশ্লীলতায় যারা ডুবে যায় এরা প্রথম যেই শাস্তিটা পায় সেটা হচ্ছে এদের শান্তি চলে যায়, শুরুয়াতের ধাপ, এডিকশনে রূপ নিয়ে ফেললে, তারা দ্বীনের আর তেমন পরোয়া করে না এসব ব্যাপারে, নিষেধ কে তরক করে, এদিকটা তাদের জন্য হাল্কা হয়ে যায়, অশ্লীল জিনিষ না দেখলে ঘুম আসে না, মানে তার শেষ কর্ম হয়ে যায় ঘুমের আগে অশ্লীলতার দর্শন, এটা শেষ আমল হিসেবে রেকর্ড হলো, আর ঘুম থেকে চোখ খোলা হলো না৷ কিসসা খতম৷
.
সুন্নত একদম শেষ হয়ে যায়, মুখ যিকরের বিপক্ষে থাকে, যেই চোখ মুখ নিয়মিত অশ্লীলতার সাক্ষ্মী দিচ্ছে সেখানে পবিত্র জিনিষের স্থান হবে না, স্বাভাবিক৷
.
আপনি ভাবতে পারেন, আমি সালাত তো আদায় করতে পারছিই, এই সালাতও কিন্তু পাঁচ প্রকার, অশ্লীলতায় জর্জরিতদের সালাত টা কেবল তাদের ঈমানের একটা সাক্ষী হিসেবেই থেকে যায়, সে মুসলিম যাষ্ট এই জিনিষের সাক্ষী, তাও কতশতবার ফজর কাযা হওয়ার পর, তার সালাতের অবনতি যে হয় সে এটা জানে, নোংরামির এক প্রান্তে এসে ফজরের সময় সেটা থেকে পবিত্র হওয়া সম্ভব হয় না, তখন ঘুমিয়ে বা ঘুমের ভানে ইচ্ছাকৃতভাবে একটা ফরজকে কুরবানি করতে হয়। আর সালাত যা হয়ও তার ধরনও হয় ‘মুআকাব’ – এটা এমন সালাত যার জন্য সওয়াবের পরিবর্তে উলটা গুনাহ কামাই হয়, কঠিন শাস্তি পেতে হয়। আফসোস মুকারবাব তো নয়ই মুকাফফারা আনহু পর্যন্তও যায় না তাদের সালাতের কোয়ালিটি আর কখনই।
.
ভিজুয়ালাইজড হয় নানান সীন মনোসাউন্ড ইনভিসিবল রিফ্লেকশন ক্রিয়েট করে মনোযোগ নষ্ট করার জন্য, সালাতে কোনভাবে মনোযোগ টিকে না৷ ‘কত দ্রুত শেষ হবে এই জিনিষ?’ এমন ভাবনায় মন উতলা হয়ে যায়৷ দুঃখের ব্যাপার হচ্ছে তাড়াহুড়োর কারনে মুখ থেকে সূরা বের হয় ভুল, লাহানে জলিতে ভরপুর যদিও সে একসময়ের ক্বারি সাহেবও হয়ে থাকে৷ অশ্লীলতা এমনই এক ভয়াবহ অভিশাপ৷
.
সবচেয়ে মেজর পার্ট মানুষ আর তওবাহ করতে পারে না, প্রথম দিকে লজ্জিত হয়, ফিরে আসে, ওয়াদা করে আর করবে না, আবার ফিরে যায় পুরোনো পাপে আবার তওবা করে, ২ বার ৩ বার এরপর তওবাহ করাই ছেড়ে দেয়, ভাবে যে আমি আর এর থেকে বের হতেই পারবো না, বারবার কেন আল্লাহর সাথে ওয়াদা ভঙ্গ করবো, অথবা আমি এতোবার ওয়াদা ভাঙ্গি আল্লাহ আর মাফ করবেন না৷ আমি কোন মুখে তওবাহ করবো আও আমার তওবাহ করে কি লাভ বের তো হতে পারি না৷
.
প্রতিটা কথা শয়তানের সুক্ষ্ম ফাঁদ, সে মানুষকে হতাশ অবস্থায় পায় আর তার ভিতর এসব শব্দের বীজ বুনে, পাপাচারে লিপ্ত হতে থাকে এদিকে ব্যক্তি, ভুলে যায় আল্লাহর ক্ষমা অসীম, আল্লাহর এই ক্ষমতাকে ছোট করে দেখে ফেলে শয়তানের প্ররোচনায়, যেই তওবাহ তার জন্য পরীক্ষা হতে পারতো সে বারবার গুনাহ করে অনুশোচনা করলে আল্লাহ্ পরীক্ষা নিয়ে বিশেষ অনুগ্রহে হয়ত তার মন থেকে গান্দেগী সাফ করে নিজের এক নিকট বান্দা বানিয়ে নিত, সেদিকে সে তওবাহ কে প্রত্যাখ্যান করে নিজেই অভিশপ্ত হয়ে ওঠে। খেয়াল থেকে উড়ে যায় যে, তওবাহ না করা দাম্ভিকতা এবং অহংকার করা। এভাবেই যেকোন ছোট পাপ হয়ে যায় বড় পাপ তা কতসময় নিয়ে যায় কুফরেও৷
.
সুবহানআল্লাহ্ শুধু ধারনা থেকে না, এমন অর্ধশত কেস আমি নিজে দেখেছি, কাউন্সেলিং করেছি, দুনিয়ার বিভিন্ন প্রান্তে নানান যায়গায় মিটিং করার সময় অনেকে প্রশ্ন লিখে পাঠাতো এর মাঝে এই অভিশপ্ত শব্দগুলোর অবস্থান থাকতো উপরদিকেই। এই পোষ্টের ছবির গল্পের মূল চরিত্র এখনো বেঁচে আছে, তওবার সুযোগ তার আছে, অথচ কতজন তো আছে, যারা ঈমানই হারায়৷
.
ফ্লোরিডায় একবার আমার কাছে এক ছেলে আসে কৃষ্ণাঙ্গ যার বড় ভাই ছিল তাদের বাড়ির প্রথম রিভার্ট সে নিজে সবাইকে দাওয়াহ দেয় ধীরে ধীরে পুরো পরিবার মুসলিম হয়, ছেলেটাও (বড় ভাইটা) ইলমের প্রতি আগ্রহী হয়, কিন্তু একসময় সে অশ্লীলতায় জড়িয়ে পড়ে, প্রচুর ব্লুফিল্ম এডিকশন থেকে পরে চলে যায় ফিজিক্যাল রিলেশনের দিকে, সে নিজেকে আর কন্ট্রোল করতে পারেনি, এক মেয়ের সাথে প্রেমে জড়িয়ে পড়ে৷ মেয়ে তাকে বলে যে সে খ্রিষ্টান হলেই তার সাথে রিলেশন করবে, সবই তার ছোট ভাই জানতো বুঝাতে চাইতো, তার বড় ভাই বলতো তোমাদের সবাইকে আমি দাওয়াহ দিয়েছি, আমাকে বুঝাতে এসো না৷ সে মেয়ের শর্ত মেনে নিয়ে রিলেশনে জড়িয়ে পড়লো, মাত্রাতিরিক্ত কোকেন সেবনের কারনে সেদিন তার মৃত্যু হলো৷
.
তার ভাই বললো আমরা যখন তার লাশ আনতে গেলাম, তার চেহারার দিকে তাকানো যাচ্ছিলো না, উফফ!! কি বীভৎস ছিল, তার হাতে একটা ক্রসের পেন্ডেন্ট ছিল, হায়রে তার চেহারা থেকে একসময় নুর বের হতো, সে আমাদের সবাইকে দাওয়াহ দিয়ে মুসলিম বানিয়েছিলো, আজ সে নিজেই কাফের হয়ে মারা গেল৷ হায় আফসোস সে একটা পাপকে ছোট ভেবেছিলো৷ এ বলে সে কাঁদতে লাগলো৷
.
বারসিসার কাহিনীও তো জানেন সকলে, কি বলবেন আপনি আর? কোন পাপ ছোট? এই অশ্লীলতায় জড়িয়ে আছে এক বিশাল সমাজ, তারা জীবন ধ্বংস করছে না শুধু খেলছে ঈমান নিয়েও, এমন এক জিনিষ এটা যে বুঝানো, বলা, জানতে চাওয়াও মুশকিল৷ নিজেদের শেষ করে দেওয়ার এ কেমন বিষয় এখন দেখা যাচ্ছে?
.
আপনারা যারা এতো দূর এসেছেন সবাইকে বলবো, আপনি যদি কোনরকম অশ্লীলতাজনিত পাপে জড়িত হন, মাফ চান তওবাহ করতেই থাকুন, যতবার হয় ততোবার চাইবেন, ইচ্ছাকৃত করতে চেষ্টা না করবেন৷ খুব কান্নাকাটি করে মাফ চান, আল্লাহ্ আপনাকে সাহায্য করবেন ইনশাআল্লাহ, দাম্ভিক হবেন না, হতাশ হবেন না৷ আপনার সামনে জ্বলন্ত অঙ্গার আপনি নিজের গায়ে কেরোসিন ঢালছেন এখনি বন্ধ করুন নাহলে জ্বলে পুড়ে শেষ হয়ে যাবেন৷
.
কোন মানসিক ক্ষতি হবে বা শারীরিক ক্ষতি হবে এসব আমি কিচ্ছু বলবো না, কারন সবাই এসব বিষয়ে জানে, চোখ বা স্মরণ শক্তি কমার ব্যাপারও সবাই জানে, যারা জানে না তারা বই পড়ুক আর্টিকেল পড়ুন, বর্তমানে অনেক আছে বাজারে, বাংলা ভাষায়ও ভালো কিছু কাজ হয়েছে, আমি শুধু বলবো যে আপনি আল্লাহর জন্য ফিরে আসুন, ঈমান বাঁচানোর জন্য অশ্লীলতা দেখা বন্ধ করুন, আগুন থেকে বাঁচার জন্য অশ্লীল কিছু নীরবে করা থেকে বিরত থাকুন৷ ওয়াল্লাহি আপনার পক্ষে পসিবল না, টিকে থাকে সেই আগুনের আঁচে পর্যন্ত, এমন তাপও আপনি সইতে পারবেন না সেই আগুনের, যা কেবল একটি পশম পোড়াবে আপনার শরীরের৷ আল্লাহর কসম আপনি পারবেন না৷
.
আর যাদের বয়স ২১-২৫ এর ভিতর অন্তত নিজের আর ওয়াইফের খরচ চালাতে পারবেন, ঠেলেঠুলে হলেও সম্ভব৷ বিয়ে করুন যত দ্রুত সম্ভব বিয়ে করুন, ২০২১ চলছে ২০২২ এর মধ্যে টার্গেট করুন বিয়ের যদি সম্ভব হয়, কোন বাবা বা কোন মা এটা পড়লে বুঝার ট্রাই করুন, আপনিও সময় পার করে এসেছেন ছেলেমেয়েদের তাড়না বুঝুন৷ আপনি নিজের অংশকেই আগুনে জ্বালিয়ে দিচ্ছেন, যাদের একদমই সম্ভব না, সিয়াম পালন করুন৷ দুআ করুন৷ ভালো এক্টিভিটিজ এর মধ্যে থাকুন৷
.
ওভার ফ্যান্টাসাইজড হবেন না, বিয়ে করবো না ইবনে তাইমিয়্যা হবো এসব আজগুবি ফ্যান্টাসি থেকে দূরে থাকুন, আপনি নিজেও জানেন আপনি ইবনে তাইমিয়্যা হতে পারবেন না৷ আমি তো বলি ইবনে তাইমিয়্যা রাহিমাহুল্লাহও যদি এই টাইমে আসতেন তিনি বিবাহ করে নিতেন অবশ্যই ইনশাআল্লাহ্৷
.
বিয়ে করবো না বলনেওয়ালা লোকেরা হয় বিমার, নাহয় মিথ্যুক অথবা লাচার৷ যে নর্দমায় দাঁড়িয়ে নদীর সুমিষ্ট পানির উদাহরণ দেয়৷ সময় আছে এখনো বুঝুন৷
.
আরেকটা কথা বলে রাখি, ম্যাক্সিমাম টাইমই এসব জিনিষ নফসের ধোঁকায় হয়, তবে এটাও সত্য যে এগুলো জ্বীনদের দ্বারা পজেসড হয়েও হয়, যেটা মানুষ বুঝে না, অনুমানও করতে পারে না। আবার ঠিকও থাকতে পারে না, যারা খুব বেশী মাত্রায় জড়িয়ে গেছেন, আমল বাড়ান, সেল্ফ রুকইয়্যাহ শুরু করুন, কিছু অনুভব করলে ভালো রাক্বির কাছে যান, হেল্প নিন। এই ভয়াবহতা কুফর পর্যন্ত নিয়ে যেতে পারে কিন্তু, দুষ্ট জ্বিন শয়তানরাও দুশমন মানুষের ঈমানের। এই কথাগুলো বেশী প্রচার হওয়া উচিৎ, কারন জ্বীনেরা এখন বসবাস করে মানুষের মাঝেই।
আর অশ্লীলতা কিন্তু কেবল এসব নোংরা ছবিই না, বরং নাটক, ওয়েব সিরিজ, ড্রামা সিরিজ বা মিউজিক ভিডিও গুলোও কোন অংশে কম না, আপনাকে মুক্ত হতে হলে গোড়া কেটে ফেলেই হতে হবে, চেপে ধরতে হবে নিজেকে।
.
এবং, নিজেকে অশ্লীলতার দিকে ঠেলে নিয়ে যাওয়া নিজেকে হত্যা করার চেয়েও ভয়াবহ, আত্মহত্যায় একবার মৃত্যু ঘটে, অশ্লীলতায় ঘটে প্রত্যেকবার, এ শুধু এক জিনিষের মৃত্যু না বরং হায়া, প্রশান্তি, ইজ্জত, মস্তিষ্কের ব্যালেন্স, ঈমান ও আমলেরও মৃত্যু৷
লেখকঃ Taemin Muqassam
শেয়ার করুনঃ
সাকিব বিন রশীদরা আমাদের এদেরকেই অনুসরণ করতে বলে…

সাকিব বিন রশীদরা আমাদের এদেরকেই অনুসরণ করতে বলে…

‘আমার আংকেল আমাকে যৌন নির্যাতন করেছিলো, তখন আমার বয়স ছিলো ৮ বছর’
.
‘আমি আমার বাবার হাতেই যৌন নির্যাতনের স্বীকার হই, ৭ থেকে ১৪ বছর বয়সের মধ্যে বাবা আমাকে যৌন নির্যাতন করেন’।
.
‘ছুটিতে মজা করার কথা ছিলো আমাদের, কিন্তু কে জানত খুব দ্রুতই তা আমার জন্য দুঃস্বপ্নে রূপ নেবে’
.
এরকম অসংখ্য টুইটের বন্যায় ভেসে যাচ্ছে টুইটার। বাবা,চাচা এমন নিকট আত্মীয়দের হাতে যৌন নির্যাতনের ঘটনার ব্যাপারে মুখ খুলেছে ফ্রান্সের হাজারে হাজারে নাগরিক। তিন বছর আগে ইন্টারনেট ভরে গিয়েছিলো #Metoo হ্যাশট্যাগে। সেই সময় একে একে বের হয়ে আসছিলো ইউরোপ আমেরিকা হলিউড, বলিউডে যারা নারী স্বাধীনতার গান গাইতো তাদের হাতেই নারীদের যৌন নির্যাতনের গা শিউরে ওঠা কাহিনী। বিশ্ববাসীর সামনে একদম খুলে পড়েছিলো নারী স্বাধীনতা, প্রগতি আর সমানাধিকারের বুলি আউড়ানো ইউরোপ আমেরিকা আর মিডিয়ার মুখোশ।
.
এই #Metoo movement এর আদলেই ফ্রান্সে শুরু হয়েছে #Metooinceste আন্দোলন। এর শুরুটা হয় বেশ জঘন্য এক ঘটনা দিয়ে। Olivier Duhamel নামের এক ফ্রেন্স প্রগতিশীল বুদ্ধিজীবির নামে অভিযোগ ওঠে সে তার সৎ ছেলেকে বয়ঃসন্ধি অবস্থায় যৌন নির্যাতন করেছে। এই ঘটনার পর #Metooincesteএর বন্যা শুরু হয় টুইটারে। খুব অল্প সময়ের মধ্যে ২০ হাজার টুইট করা হয়। ফ্রান্সের নাগরিকরা একে একে বলতে শুরু করে কীভাবে তারা নিজেদের বাবা,চাচা, ভাই ইত্যাদি আপনজনের হাতে যৌন নির্যাতনের স্বীকার হয়েছে ছোটো থাকতে।
.
ফ্রান্সে ইনসেস্ট অর্থাৎ যাদের সাথে বিয়ে নিষিদ্ধ এমন মানুষদের সাথে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করা বৈধ। অর্থাৎ বাবা মেয়ে দুজন বিছানায় যেতে পারবে, ভাই বোন , মা ছেলে যা খুশি তাই করতে পারবে। এগুলো কোনো সমস্যা না তাদের কাছে। কিন্তু যদি যৌনতায় আগ্রাসন প্রদর্শন করা হয় বা ১৫ বছরের কম বাচ্চাকে বিছানায় নেওয়া হয় তখন সেটা ফ্রান্সে অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে।
.
.
এই চরম ঘৃণিত আইনের ফলাফল হয়েছে ভয়াবহ। ফ্রান্সের ঘরে ঘরে আজ ইনসেস্টের মাধ্যমে যৌন নির্যাতন চলছে। প্রতি ১০ জনের ১ জন বলছে তারা ইনসেস্টের স্বীকার।ইনসেস্টের মাধ্যমে যৌন নির্যাতিত ব্যক্তিদের নিয়ে কাজ করে এমন একটি সংস্থার নাম ফেসিং ইনসেস্ট। এই সংস্থার প্রেসিডেন্ট Patrick Loiseleur বলছে, ইনসেস্ট হলো ঘরে থাকা একটা হাতির মতো যা কেউই দেখছেনা(মানে দেখেও না দেখার ভান করছে) ইনসেস্টের মাধ্যমেই সবচেয়ে বেশী যৌন নির্যাতনের ঘটনা ঘটে কিন্তু এটা নিয়ে সবচেয়ে কম কথা হয়’।
.
বাহ ফ্রান্সে সভ্যতা, প্রগতিশীলতা, মানবাধিকারের কি অপূর্ব নিদর্শন!
.
দুই.
আমাদের সুশীল প্রগতীশীলরা দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবার জন্য ইউরোপ আমেরিকাকে অন্ধু অনুসরণ করার কথা বলে।
.
পিতার হাতে সন্তানেরা যৌন নির্যাতিত হয় এমন দেশের কাছ থেকে আমাদের সভ্যতা শিখতে হবে?
.
ভাইয়ের কাছে বোন নিরাপদ নয় এমন দেশের কাছ থেকেই আমাদের মানবাধিকার শিখতে হবে?
.
এমন দেশকে অনুসরণ করে প্রগতিশীলতা শিখতে হবে আমাদের?
.
জ্বি করতে হবে। আমাদের সাকিব বিন রশীদ ভাইয়েরা বলেছেন করতে হবে। এরকম করলেই আমরা চ্যালচ্যালাইয়া উন্নত হয়ে যাব। জাতে উঠে যাবো। মুখ দিয়ে ভরভর করে ইংরেজি বের হবে। আর তাই, লিটনের ফ্ল্যাট, কনসেন্ট, জাস্টফ্রেন্ড, বয়ফ্রেন্ড, গ্রুপ স্টাডি, স্লিপওভার, ছেলে বন্ধুদের সাথে ঘোরাঘুরি, পিরিয়ড নিয়ে ছেলেদের সাথে আলোচনা করা… এক এক করে ফিরিঙ্গিদের লাইফস্টাইলের সবকিছু শেখানো হচ্ছে আমাদের নতুন প্রজন্মকে। এর ফলাফল কেমন হতে পারে আনুশকা দিহান তা জানিয়ে দিয়ে গেলো।
.
আপাতত কনসেন্ট আর স্লিপওভারে সীমাবদ্ধ থাকলেও কয়দিন পর সমকামিতা, ইনসেস্টকে স্বাভাবিক করার দাবী করবে সাকিব বিন রশীদরা। নিশ্চিত থাকতে পারেন এমন দাবী করবেই। কারণ তাদের সাদা চামড়া প্রভুরা সমকামিতা, ইনসেস্টকে স্বাভাবিক করেছে।
.
আমরা কি তখনো প্রগতিশীলতা শেখার নামে, জাতে ওঠার নামে সাকিব বিন রশীদদের কথা শুনবো? যেই ট্রেনে সাকিব বিন রশীদরা আপনার সন্তান ছোটো ভাইবোনদের তুলে দিয়েছে সেই ট্রেনের গন্তব্য সমকামিতা আর ইনসেস্টেই।এখনো যদি সাবধান না হন তাহলে আর কিছু বলার নেই। জেগে জেগে ঘুমানো মানুষকে ঘুম থেকে জাগানো যায় না।
.
তিন.
ফ্রান্স মানবাধিকার, মতপ্রকাশের অধিকার আর বাক স্বাধীনতার নামে রাসূলুল্লাহ (সাঃ) এর অবমাননা করেছিলো। ফ্রান্সের সর্বস্তরের নাগরিক রাসূলুল্লাহ (সাঃ) কে অপমান করেছিলো। ইন্ডিয়ার দাদাবাবুরা তাতে সমর্থন যুগিয়েছিলো। সেই মহান মানবাধিকার , ব্যক্তিস্বাধীনতার দেশে কেমন ব্যক্তি স্বাধীনতার চর্চা করা হচ্ছে তা তো আপনারা দেখছেনই। পিতার হাতে সন্তানও নিরাপদ নয়। ভাইয়ের হাতে নিরাপদ নয় নিজ বোনও।
.
ইতিহাস ঘেঁটে দেখেন যেকোনো জাতির পতনের সময় সে জাতির মধ্যে চরম মাত্রার যৌন বিকৃতি দেখা দেয়। ফ্রান্সের পতন অতি সন্নিকটে। এরা জাতি হিসেবে রাসূলুল্লাহ (সাঃ) এর অবমাননা করেছিলো। কাপুরুষ আমরা কিছুই করিনি এদের বিরুদ্ধে। তাই বলে আল্লাহর স্বাভাবিক নিয়ম থেমে থাকবে না। আল্লাহর কিছু পছন্দনীয় বান্দার হাতে খুব শীঘ্রই পতন ঘটবে ফ্রান্সের।
পতনের আওয়াজ ঐ পাওয়া যায়…
.
রেফারেন্স:
১]Incest Scandal Sets Off a New #MeToo Movement in France- https://tinyurl.com/y3s8aobg
[২] Prominent French Intellectual Steps Down Amid Accusations of Incest- https://tinyurl.com/y4y4rut5
[৩] In the #MeToo Era, France Struggles With Sexual Crimes Involving Minors- https://tinyurl.com/y2ulj8nt
.
======
লেখক:

Enamul Hossain
শেয়ার করুনঃ